অনলাইন ডেস্ক : | শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৮ | প্রিন্ট | 1465 বার পঠিত
বাহারি ফুলের মন মাতানো সৌরভ আর স্নিগ্ধতা মুগ্ধ করে যে কাউকে। আর ফুলপ্রেমীদের পছন্দে পূর্ণতা আনতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফুলবাগান গড়ে উঠলেও, একধাপ এগিয়ে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা। এখানকার সাতশো হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে ফুলের। যা দেশের ৮০ ভাগ ফুলের চাহিদা মেটায়।
আঁকাবাঁকা মেঠো পথ, দুই ধারে সবুজের ছাউনি। দৃষ্টিসীমার পুরোটা জুড়েই কেবল সৌন্দর্য্যের হাতছানি।
সবুজের এমন ফল্গুধারায় রঙের দ্যুতি ছড়াচ্ছে সারি সারি গোলাপের বাগান। লাল-সবুজের মিশেলে যেন স্বর্গীয়রূপে ধরা দিয়েছে প্রকৃতি।
এমন দৃশ্য এখন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার প্রায় সবখানে। গোলাপ, রাজনীগন্ধা, গ্ল্যাডিওলাস, গাঁদাসহ বাহারী সব ফুলের সমারোহে এ যেনো ফুলেল বিছানা।
বদলেছে সময় সেইসাথে বদলেছে ফুল চাষের ধরণ। উদ্যোক্তাদের মেধা আর শ্রমে গড়ে উঠছে ব্যয়বহুল বাগান। রঙ আর সৌন্দর্য্যের ব্যাঞ্জনায় দৃষ্টিনন্দন এসব ফুল দেখে কৃত্রিম বলে ভুল হতে পারে যেকারো।
ফুল বিক্রী করতে খুব বেশি বেগ পোহাতের হয়না এখানকার চাষীদের। স্থানীয় গদখালি বাজারেই চলে বেচাকেনা। দাম নিয়েও রয়েছে সন্তুষ্টি। তবে দিনকে দিন প্লাস্টিকের ফুলের চল বাড়তে থাকায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে ফুল চাষীদের।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, দেশে উৎপাদিত ফুলের ৮০ ভাগ জোগান দেয় যশোর অঞ্চল। প্রতিবছর এখানকার এক হাজার হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে হয় ফুলচাষ। প্লাস্টিকের ফুলের অবাধ ব্যবহার ঠেকাতে নেয়া পরিকল্পনার কথাও জানান এ কর্মকতা।
Posted ৪:০৭ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৮
America News Agency (ANA) | Payel