এনা : | রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | 19 বার পঠিত
নিউইয়র্কে শেষ হয়ে আসছে শীত মৌসুম। আর কিছুদিন পরই শুরু হবে সামার। ৩ এপ্রিল শুক্রবারের বিকালটা ছিল চমৎকার। আকাশেরও মন ভালো ছিল। প্রকৃতির এই নির্মল আবহাওয়ার মধ্যে বর্ণিল সাজে সেজেছিল নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনা। উপলক্ষ নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ও বহির্বিশ্বে সর্বাধিক প্রচারিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’র ৩৬ বছরপূর্তি উদযাপন এবং ‘ঠিকানা টিভি’র যাত্রা শুরুর ঘোষণা।
ঠিকানার ৩৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে সেখানে আয়োজন করা হয় এক বর্ণিল পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের। সঙ্গে ছিল পত্রিকাটির বিশিষ্ট দুজন সাংবাদিককে বিদায়ী সম্মাননা প্রদান।
বিকাল হতেই ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার মেরিনায় সমবেত হতে থাকেন ঠিকানার সুহৃদ, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে অতিথিদের উপস্থিতি। একে একে আসতে থাকেন মূলধারার রাজনীতিবিদ, কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কবি-সাহিত্যিক, লেখক-সাংবাদিকসহ প্রবাসের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। একটা সময় সবার প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
পরিচিতজনদের সঙ্গে আলাপচারিতা ও গল্পে উপভোগ্য সময় কাটান অতিথিরা। আট শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা ঠিকানাকে জানান ফুলেল শুভেচ্ছা। কমিউনিটির ভালোবাসায় ৩৬ বছর পেরিয়ে ৩৭ বছর পদার্পনে ঠিকানার নতুন অধ্যায় ‘ঠিকানার টিভি’ ও ‘ঠিকানা ডিজিটাল’-এর সাফল্য কামনা করেন তারা।
অনুষ্ঠানের ছিলÑউদ্বোধনী পর্ব, গান, শুভেচ্ছা বক্তব্য, বিদায় সংবর্ধনা এবং ঠিকানা টিভি ও ঠিকানা ডিজিটালের শুভযাত্রা। অনুষ্ঠনের শুরুতে ঠিকানার পরিচিতি তুলে ধরা হয়। এর পরই আসে উদ্বোধনী ঘোষণা। বাজানো হয় বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সংগীত। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা দাঁড়িয়ে দুই দেশের প্রতি সম্মান জানান। অনেকেই বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। এরপর ছিল উদ্বোধনী গান। ‘ধন ধান্যে পুষ্প ভরা’ দেশের গানটি গাওয়া হয়। এতে কণ্ঠ দেন কৃষ্ণা তিথি, বিন্দু কনা ও টিনা রাসেল। শিল্পীদের পরিবেশনা অতিথিদের মুগ্ধ করে। উপস্থিত দর্শকেরা তাদের সঙ্গে এই গানে কণ্ঠ মেলান।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা বলেন, প্রবাসীদের আস্থা ও বিশ্বস্ততার আরেক নাম ঠিকানা। পত্রিকাটি ছোট-বড় সকল মহলের পাঠযোগ্য। কেবল সংবাদ প্রকাশের মধ্যেই পত্রিকাটি নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখেনি, প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটি বিনির্মাণেও প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সত্যকে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করতে ঠিকানার বিকল্প নেই। প্রবাসে বাংলাদেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি তুলে ধরে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঠিকানা।
বক্তারা আগামী দিনেও ঠিকানার পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই মিলনমেলায় বিশিষ্টজনদের সামনে ঠিকানার পক্ষ থেকেও সত্য প্রকাশে অবিচল থাকা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
এরপর ঠিকানার ৩৭ বছরে পদার্পণের শুভক্ষণে পত্রিকাটির বিগত ৩৬ বছরের অর্জন সম্পর্কে সøাইড শো প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঠিকানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মুশরাত শাহীন অনুভা। তিনি তার বক্তৃতায় ঠিকানার শুরু, পথচলা, সাফল্য, কমিউনিটি বিনির্মাণে এর অবদান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তার বাবা এম এম শাহীন এবং স্বামী রুহিন হোসেন তার জীবনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এরপর ঠিকানার পথচলা, এগিয়ে যাওয়া, ব্যক্তিগত জীবনের অনুভূতি, কমিউনিটির কাছে প্রত্যাশা নিয়ে বক্তব্য দেন ঠিকানার বার্তা সম্পাদক শহীদুল ইসলাম। ঠিকানার সিনিয়র সাংবাদিক নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী ঠিকানা ও ঠিকানা টিভির পথচলা অব্যাহত রাখতে আগামী দিনেও পাঠক ও কমিউনিটিকে পাশে থাকার আহ্বান জানান।
ঠিকানা টিভি নিয়ে নিজেদের স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন ঠিকানা গ্রুপের চিফ অ্যাডভাইজর রুহিন হোসেন ও ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন।
ঠিকানা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন ঠিকানা টিভির উদ্বোধনী ঘোষণা দেন। উদ্বোধনী পর্বে ঠিকানা টিভির শো-রিল প্রদর্শন করা হয়। ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরি’ এবং চিত্রনায়ক জায়েদ খান অভিনীত ‘আমেরিকান ড্রিম’ নামেও দুটি ইভেন্ট ছিল।
অনুষ্ঠানে সদ্য অবসরে যাওয়া ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক মুহম্মদ শামসুল হককে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।
জনপ্রিয় ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী পুরো অনুষ্ঠানের স্থিরচিত্র ধারণ করেন। পাশাপাশি পুরো অনুষ্ঠানটি তার ফেসবুক থেকে সরাসরি সম্প্রচার করেন তিনি। অনুষ্ঠানে দুই পর্বে খাবার পরিবেশন করা হয়। অতিথিদের বাংলাদেশি সব খাবারের মেন্যু দিয়ে অ্যাপায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানের ঠিকানার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ও সাবেক এমপি এম এম শাহীন ঠিকানার শুরু, পথচলা এবং ৩৬ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশনা অব্যাহত রাখার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। কমিউনিটির জন্য ঠিকানা যে অবদান রেখে চলেছে, তাও উল্লেখ করেন তিনি।
সংসদ সদস্য থাকাকালে প্রবাসীদের কল্যাণে যেসব কাজ করেছেন, তা তুলে ধরেন এম এম শাহীন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট. প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় চালু এবং সোনালী এক্সচেঞ্জ স্থাপন প্রভৃতি।
বক্তৃতার একপর্যায়ে আবেগপ্রবণ হয়ে এম এম শাহীন বলেন, রাজনীতি করতে গিয়ে আমি আমার আমেরিকার সম্পদ, ঢাকার সম্পদ এবং কুলাউড়ার সম্পদ বিক্রি করেছি। আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি, নিজের জন্য নয়। সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে আবার এখানে ফিরে এসেছি।
তিনি নির্বাহী সম্পাদক জাভেদ খসরুসহ ঠিকানার পরিবারের সবাইকে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। সেই সঙ্গে বিদায়ী প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান এবং বিদায়ী সহযোগী সম্পাদক শামসুল হকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ও তাদের অবসর জীবন সুন্দর ও শুভ হোক সেই কামনা করেন।
এম এম শাহীন তার বক্তব্যের পর ঠিকানার নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘ঠিকানা টিভি’র ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বর্তমানে ঠিকানা টিভির স্টার কেবল ভিশনের মাধ্যমে বক্সে টেস্ট ট্রান্সমিশন দেখা যাচ্ছে। এসময় তিনি ঠিকানা পত্রিকা, ঠিকানা ডিজিটাল ও ঠিকানা টেলিভিশন নিয়ে তার স্বপ্নের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিন রাত আটটায় শুরু হয়ে চলে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত। এ উপলক্ষে ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার মেরিনায় বসেছিল মিলনমেলা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঠিকানা টিভির হেড অব প্রডিউসার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবীর আলমগীর। তাকে সহযোগিতা করেন ঠিকানার বার্তা সম্পাদক শহীদুল ইসলাম ও সিনিয়র সাংবাদিক নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী।
ঠিকানার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মূলধারার রাজনীতিক দিলীপ চৌহান, নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিসের চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মীর বাশার, নিউইয়র্ক সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইয়ুথের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার নুরুস সালাম, ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার (সচিব পদমর্যাদা) গোলাম মোর্তোজা, সাবেক যুগ্ম সচিব আলতাফ হোসেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র ও নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্সের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নকিবুর রহমান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার, ব্যবসায়ী নেতা, কবি, সাহিত্যিক, ছড়াকার, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর, মর্টগেজ বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক, আইনজীবী, শিল্পী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ঠিকানার শুভানুধ্যায়ী, শুভাকাক্সক্ষী ও বিজ্ঞাপনদাতারা। উপস্থিত ছিলেন ঠিকানা পরিবারের সব সদস্য। টেক্সাসসহ বিভিন্ন স্টেট থেকে অতিথিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
ঠিকানার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে শুভানুধ্যায়ী, কমিউনিটির বিশিষ্টজনদের মধ্যে বক্তব্য দেন মূলধারার রাজনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, জেবিবিএর প্রেসিডেন্ট গিয়াস আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ নেওয়াজ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দীন দেওয়ান, যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, ব্রঙ্কসের কমিউনিটি বোর্ড-৯ এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এন মজুমদার, ফোবানার নেতা কাজী ফিরোজ আহমেদ ও কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজর মিজানুর রহমান, কমিউনিটির প্রবীণ ব্যক্তিত্ব নাসির আলী খান পল, সিপিএ জাকির চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হোসেন খান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, লে. কমান্ডার (অবসরপ্রাপ্ত) শামসুল হক, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজর মিজানুর রহমান, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি, বীর মুক্তিযোদ্ধ গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ ও আব্দুল মুকিত চৌধুরী প্রমুখ।
আরো উপস্থিত ছিলেন- নিউইয়র্কে বাংলাদেশের ডেপুটি কনসাল জেনারেল মো. আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান ট্রাস্টি ও জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকম হাকিম, বাংলা ট্রাভেলের কর্ণধার বেলায়েত হোসেন বেলাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনজুরুল ইসলাম, ১০৯ প্রিসিঙ্কটের কমান্ডিং অফিসার ও বাপার সাবেক সভাপতি ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি, ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সরকার, আশা হোমকেয়ারের প্রেসিডেন্ট আকাশ রহমান, মাওলানা সাইফুল সিদ্দিকী, আরটিভি ইউএসএ’র প্রযোজক অলিভ আহমেদ, নিউইয়র্ক পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সেকশন কমান্ডার মুস্তাফিজুর রহমান, ডা. প্রতাপ চন্দ্র দাশ, তানভীর রাব্বানী, জমজম ট্রাভেলসের কর্ণধার তাওহীদ মুন্না, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক হাসান জিলানী, রিয়েলটর সরোয়ার খান বাবু, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট দুলাল মিয়া হাজী এনাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভ্যাটেনার্র্স ১৯৭১ ইউএসএ ইন্ক-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা।
আরও উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সংগঠক হাসানুজ্জামান হাসান, ফরহাদ হোসেন, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, ডা. মুজিবুল হক, মাহবুব হোসেন, লেখক রুপা খানম, লেখক নন্দিনী মুস্তাফী, আব্দুর রহমান, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, নাঈমা খান, অ্যাটাবের সেক্রেটারি মাসুদ মোর্শেদ, রিয়েলটর ওবায়েদ বাবু, এম এম আলম, নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব হেলথের পরিচালক ডা. সৈয়দ আল-আমীন রাসেল, নারী নেত্রী অধ্যাপিকা হুসনে আরা, সংস্কৃতিকর্মী ও জনপ্রিয় বাচিক শিল্পী মুমু আনসারী, সাংবাদিক রওশন হক, জেবিএ সেক্রেটারি সৈয়দ রাব্বী, সানম্যানের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসুদ রানা তপন।
আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরন, বাংলা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও হককথা সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, এনটিভি উত্তর আমেরিকার ব্যুরো প্রধান ফরিদ আলম, সাপ্তাহিক প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার নির্বাহী সম্পাদক মনজুরুল হক, চ্যানেল আই যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি রাশেদ আহম্মেদ, প্রতিনিধি মোহাম্মদ হোসেন দীপু, আজকালের বিশেষ প্রতিনিধি মনোয়ারুল ইসলাম ও সিটি এডিটর অনিক রাজ, দৈনিক প্রথম আলোর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি তোফাজ্জল লিটন, আওয়াজ বিডি সম্পাদক শাহ আহমেদ, ইয়র্ক বিডি সম্পাদক শাহ ফারুক, আইবি টিভির সিনিয়র সাংবাদিক সৌরভ ইমাম, তুষার পিক, ফারুক বিপ্লব, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মনোয়ার হোসেন পাঠান, জনপ্রিয় অভিনেতা টনি ডায়েস, সাংবাদিক ও অভিনেতা শামীম শাহেদ, জামান মনির, লিটা শাহরিন, মীর নওশাদ, সাংবাদিক ও সংস্কৃতি কর্মী ছন্দা বিনতে সুলতান, লেখিকা রুপা খানম, কিউটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফরিদ উদ্দিন, আইটি বিশেষজ্ঞ ইফতেখার আহমেদ, লেখক সুফের মামা, লেখিকা সোনিয়া কাদির।
উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, ব্রঙ্কসের মূলধারার রাজনীতিক আব্দুস শহীদ, ড. দীলিপ নাথ, রোকেয়া আকতার, আবিদা ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট কলামিন্ট শামসুদ্দিন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, কার্যকরী সদস্য আশরাফুজ্জামান, রিয়েলটর ও নারী নেত্রী মোর্শেদা জামান, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, রিয়েলটর আজিজুল হক মুন্না, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা আব্দুস সবুর, এবাদ চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন সবুজ, এম এ বাতিন, একেএম রফিকুল ইসলাম ডালিম, গ্লোবাল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের সিইও মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বশির, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাঈদ আহমদ, লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শওকত আলী, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি ও কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার আহসান হাবিব, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট লায়ন আহসান হাবিব, প্রমোটার খায়রুল ইসলাম খোকন, লায়ন আহমেদ সোহেল, খানস টিউটোরিয়ালের চেয়ারপারসন নাঈমা খান, ফার্মাসিস্ট মোস্তাক আহমেদ, বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট এবিএম সালেহ উদ্দিন, জনপ্রিয় ছড়াকার মনজুর কাদের, সংস্কৃতিকর্মী ও বাচিকশিল্পী মুমু আনসারী, বিশিষ্ট গীতিকার মাহফুজুর রহমান, সংগীত শিল্পী কামরুজ্জামান বকুল, শাহ মাহবুব, কমিউনিটি লিডার নূরুল হক, কুলাউড়া সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদ, বহ্নিশিখা সঙ্গীত একাডেমির পরিচালক সবিতার দাশ প্রমুখ।
এছাড়াও বিভিন্ন স্টেট থেকেও বেশ কয়েকজন অতিথি যোগ দেন। এ ছাড়া ঠিকানার বিজ্ঞাপনদাতা, পৃষ্ঠপোষক, নিয়মিত লেখক, কবি, সাহিত্যিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
বেশ কয়েকজন শিল্পী ও অভিনেতা, অভিনেত্রী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। উপস্থিত ছিলেন ঠিকানা টিভির হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তার সঙ্গে বেশ কয়েকজন শিল্পী যোগ দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী শুভ্র দেব, চিত্রনায়ক আলেকজান্ডার বো ও ইমন, অভিনেত্রী ও মডেল মোনালিসা, সঙ্গীতশিল্পী মারিয়া মৌ, নীলিমা শশী, সংবাদ পাঠিকা দিমা নেফারতিথি, বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালনা মীর ওয়াজেদ শিবলী ও পরিচালক শারমিন রেজা ইভা, জনপ্রিয় উপস্থাপিকা সোনিয়া সিরাজ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ঠিকানার সকল লেখক, কবি, সাহিত্যিক, কমিউনিটি লিডার, ব্যবসায়ী, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী, গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ ঠিকানার শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জন ফাহিম, ইমিগ্র্যান্ট এল্ডার হোম কেয়ারের সিইও ও প্রেসিডেন্ট গিয়াস আহমেদ, রিয়েলস্টেট ইনভেস্টর নুরুল আজিম, সানম্যানের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসুদ রানা তপন, বাংলা ট্রাভেলসের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বেলায়েত হোসেন বেলাল, বারী হোম কেয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আসেফ বারী, অ্যাটর্নি মোহাম্মদ মীর মিজানুর রহমান, (মীর মিজান), অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, ব্যবসায়ী শাহ নেওয়াজ, অ্যাটর্নি জান্নাতুল রুমা, সাব্বির লস্কর, অ্যাটর্নি ফারহান রায়হান, অ্যাটর্নি অশোক কর্মকার, অ্যাটর্নি মাহফুজুর রহমান, অ্যাটর্নি প্যারি ডি সিলভার, অ্যাটর্নি ইশরাত সামী, মোহম্মদ এন মজুমদার, ব্যবসায়ী কাজী ফিরোজ, ব্যবসায়ী কাজী সাখাওয়াত আজম, কমিউনিটি লিডার কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন প্রমুখ।
ঠিকানায় যারা দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন এবং যারা শুভানুধ্যায়ী হিসেবে পাশে আছেন, তাদেরকেও বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছেন- বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রিয়েলস্টেট ইনভেস্টর আনোয়ার হোসেন, আইরি কম এর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও ইসমাইল আহমেদ, অ্যাটর্নি মীর এম মিজানুর রহমান, অ্যাটর্নি খায়রুল বাশার, কামরুজ্জামান বাচ্চু, কে আহমেদ (রিয়েলটর), গিয়াস আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটি, বাংলা ট্রাভেলসের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বেলাল হোসেন, সিপিএ জাকির চৌধুরী, আসেফ বারী টুটুল, অ্যাটর্নি নরেশ গেহি, আসিফ চৌধুরী (রিয়েলটর), মোহাম্মদ আলম নমি, খলিল ফুডসের খলিলুর রহমান, নুরুল আজিম, অ্যাটর্নি পেরি ডি. সিলভা, মাসুদ রানা তপন, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, তোফায়েল চৌধুরী লিটন, মোহাম্মদ বশির, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের বদরুল খান ও রোকন হাকিম, ডিজিটাল ট্রাভেলস এস্টোরিয়ার কর্ণধার নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ এন মজুমদার, অ্যাটর্নি অশোক কর্মকার, অ্যাটর্নি মাহফুজুর রহমান, অ্যাটর্নি ইসরাত সামি, সিপিএ চিশতি, ডা. ফেরদৌস খন্দকার, শাহ নেওয়াজ, রায়হান জামান, অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, রিয়েলটর সাবির এ লস্কর, কাজী শহীদুল ইসলাম, রুমি ভূঁইয়া, নুরুল আজিম, আজিজুল হক মুন্না, জে-ওয়ান ড্রাইভিং আলী, এস কে শর্মা , ওভেনা কন্সট্রাকশন, আবু হানিপ, অ্যাটর্নি ফারহান রহমান, শাহরিয়ার রহমান ও ভালো টিম, মহসিন কবির, মোহাম্মদ বি হোসেন, অ্যাটর্নি আলবার্ট ঘানি, লোকমান মেডিকেল কেয়ার, এসএনএস অ্যাকাউন্টিং এবং সাধারণ পরিষেবার এম এ কাইয়ুম, কর্ণফুলী ভ্রমণের হারুন, স্কাইল্যান্ড ট্রাভেলের মাসুদ মোর্শেদ, ওয়ার্ল্ড ট্যুরস ও ট্রাভেলসের মোহাম্মদ বশির, জে কে গেইন মাল্টি সার্ভিসেস, ওয়ার্ল্ড হোম কেয়ারের শাহ শাইদুল ইসলাম, রিয়েলটর জসিম ইউ চৌধুরী, অ্যাটর্নি বুশ ফিশার, মোহাম্মদ সিদ্দিক তানভীর, ট্রিবিউন একাডেমির মো. নোমান, সিপিএ শ্রাবণী, সুরদেজ ও পেরেজ, শামীম শাহেদ, ব্যক্তি চিকিৎসাকেন্দ্র, এনওয়াই হোম কেয়ারের আব্দুল আজিজ, আম্বিয়া বেগম, এস এম হালিম, মোহাম্মদ তুহিন, সয়া সিকিউরিটি, মিটু প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, অ্যামলেটাস, হাইটেক, নাবিলা এয়ার ট্রাভেল, রিয়েলটর মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, মইনুল হক চৌধুরী, মিজান চৌধুরী, আব্দুর রহমান, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, শাকিল মিয়া, মোহাম্মদ আলম নমি, জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী, ওবায়দুল্লাহ বাবু, সরওয়ার খান বাবু, আল আমিন রাসেল, অল কাউন্টি হোম কেয়ারের কাদের শিশির, নুরুল আজিম, মোহাম্মদ আলী, ফখরুল আলম, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, কাজী সাখাওয়াত হোসেন আযম, ফিরোজ আহমেদ, আব্দুস শহিদ, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, তোফায়েল চৌধুরী লিটন, মোহাম্মদ বশির, নূর থাই, জিল্লুর রহমান, নিহাল করিম, ফখরুল ইসলাম মাসুম, মো. আব্দুল বাতিন, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশসের সভাপতি মইনুল ইসলাম, শাহ নেওয়াজ, নুরুল আমিন বাবু, আবু সাইদ আহমেদ, আহবাব চৌধুরী খোকন, ওয়ার্ল্ড ট্যুর ট্রাভেলের শামসুদ্দিন বশির, সাবেক কংগ্রেস সদস্য পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী, আমিন মেহেদী, শাহ শহিদুল হক, বাপার সেক্রেটারি ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি, আমিন মেহেদী, শাহরিয়ার আলম, শাহরিয়ার নবী, মিতা খান, আমিনুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম মঞ্জু, চন্দন দত্ত, সাইফুল ইসলাম, ডা. শামীন, প্রফেসর শামীম, ভিএনএস এর ডাইরেক্টর সালেহ আহমেদ, মোশায়েদ রাশেদ, ইঞ্জিনিয়ার জামশেদ, ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের প্রতিনিধিরা, অ্যামলোটাস কেরিয়ার স্কুলের পরিচালকবৃন্দ, আইটি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আলীম, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী আসিফ চৌধুরী, বিশিষ্ট লিডার ও ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম দেলওয়ার, সাইফুল ইসলাম, ব্রঙ্কস কম্যুনিটি লিডার আব্দুস শহীদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইয়াসিন,মর্গেজ বিশেষজ্ঞ জন, মূলধারার রাজনীতিবিদ দিলিপ নাথ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুকুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুল, ব্যবসায়ী জামান, মোর্শেদা জামান, কম্যুনিটি লিডার নুরুল হক নুর, গিয়াস আহমেদ, নাঈম আহমেদ, মাকসুদ চৌধুরী, খালিক, শারমিন পিয়া, তাহমিনা চৌধুরী, লাবনী কামরুল, আম্বিয়া অন্তরা, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী রিনা শাহ, কবি, সাহিত্যিক- রিম্মি রোমান, আহমেদ মাযহার, শামীমা জামান, সেমু আফরোজ, ড. রফিকুল ইসলাম, নাভিদ আহমেদ, কয়ছর রশিদ, শাহ আহমেদ, প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ঠিকানার পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান ঠিকানা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন।
Posted ৫:৫২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
America News Agency (ANA) | ANA