| মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৬ | প্রিন্ট | 1094 বার পঠিত
সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে শাবি ছাত্রলীগ নেতার চাপাতির আঘাতে গুরুতর আহত খাদিজা আক্তার নার্গিসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে।
খাদিজাকে বাঁচানোর সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে এ অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার চাচা আব্দুল কুদ্দুস।
মোবাইল ফোনে তিনি যুগান্তরকে জানান, বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপাচার শুরু হয়। তবে ডাক্তার জানিয়েছে তার বাঁচার আশা ক্ষীণ।
এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, ঢাকায় আনার পরেই তার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছেন অপারেশন করা যাবে, কিন্তু বাঁচার সম্ভাবনা মাত্র ৫ শতাংশ। তবে অলৌকিকভাবে সে বেঁচে গেলেও আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে না।
স্কয়্যার হাসপাতালের নিউরো সার্জারির জ্যেষ্ঠ পরামর্শক রেজাউস সাত্তারের অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খাদিজার শারীরিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। তাকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, তবে ৭২ ঘন্টা পর্যবেক্ষণের পরই এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে।
এর আগে সোমবার রাতেই খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। খাদিজা সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। সোমবার পরীক্ষা শেষে কলেজ থেকে বের হলে খাদিজাকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে কথিত প্রেমিক বদরুল। পরে স্থানীয়রা ছাত্রলীগ নেতা বদরুলকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
বদরুল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এবং অর্থনীতি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে শাহপরান থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি বলেন, বদরুলের সঙ্গে খাদিজার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বদরুল এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
Posted ৭:০৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৬
America News Agency (ANA) | Payel