শুক্রবার ১ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

>>

চোখ খুলে দিয়ে গেল তারুণ্য

ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী   |   শনিবার, ১১ আগস্ট ২০১৮   |   প্রিন্ট   |   708 বার পঠিত

চোখ খুলে দিয়ে গেল তারুণ্য

গত ২৯ জুলাই এয়ারপোর্ট রোডে শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী আবদুল করিম রাজীব ও মিম দুই বাসের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেয়ালে পিষে নিহত হয়। একটি বাস যাত্রী তুলছিল, তাতে কলেজের ছাত্রছাত্রীই উঠছিল বেশি। তখন আরেকটি বাস ওই বাসটির সামনে দিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ভাগ বসাতে ঘুরে গিয়ে ফুটপাথের ওপর উঠে যায় এবং লাইসেন্সবিহীন চালক ওই দুই শিক্ষার্থীকে দেয়ালে পিষে ফেলে। সেই থেকে শুরু।

ওই কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রায় সাথে সাথেই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে। তারা সড়ক দখল করে বিভিন্ন দাবির পোস্টার হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। তাদের দাবি ছিল- বেপরোয়া যানচালকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; রাজপথে আর কোনো শিক্ষার্থীর যাতে রক্ত না ঝরে, তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নানা ধরনের পোস্টার তারা গলায় ঝুলিয়েছিল। সব কিছুর পেছনেই ছিল এক দাবি, ঘাতক বাসচালকের বিচার চাই। প্রথম দিন ঘটনাটি ওখানেই দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় দিন পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নেয়।

শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসে। তাদের স্লোগান ছিল, ‘আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে’। এই স্লোগানও কম মূল্যবান নয়। আমরা প্রবীণেরা তারুণ্যের এই বিরাট শক্তির কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। এই যে নিরাপদ সড়কের দাবি, এ দাবি বাস্তবায়নে তাদের কোনো নেতা ছিল না। এর প্রয়োজনও পড়ে না। এখানে দাবিটাই নেতার ভূমিকা পালন করেছে। ফলে পরদিন ঢাকাসহ সারা দেশের প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুরু হয় প্রতিবাদ আন্দোলন।

পাড়া-মহল্লার বালক-বালিকা, কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণী একযোগে রাজপথে নেমে আসে। তাদের দাবি একটাই- নিরাপদ সড়ক চাই। কিন্তু কে এই দাবি পূরণ করবেন? সরকার প্রায় সময় জনদাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। গুম, খুন, ধর্ষণ ও অপঘাতে মৃত্যু সরকারের কারোই বিবেককে নাড়া দিতে পারেনি। শিশুরা পোস্টার বহন করেছে, ‘বিবেক তবে কবে ফিরবে।’ তারুণ্যের এ অভ‚তপূর্ণ জাগরণে নেতৃত্বের দরকার পড়ে না।

তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে এসেছে। কিন্তু পুলিশ প্রথম দিনেই পুরনো কায়দায় তাদের ওপর হামলে পড়েছে। কাউকে বুট দিয়ে লাথি মেরেছে, কারো গলা টিপে ধরেছে, দুই হাতে লাঠি নিয়ে কোনো বালক বা বালিকার পিঠে বসিয়ে দিয়েছে।

এতটুকু শিশুজীবনের নিরাপত্তার দাবি নিয়ে রাজপথে এসেছিল। রাজপথ ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না। কেউ তাদের শিখিয়ে দেয়নি; তারা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কী করতে হবে। অভিভাবকেরাও তাদেরকে ঘরের ভেতর আটকে রাখতে পারেননি। স্কুলড্রেস গায়ে, গলায় পরিচয়পত্র ঝুলিয়ে তারা ঠিকই বেরিয়ে এসেছে রাস্তায়।

কিন্তু সরকারের মনোভাব স্পষ্ট হয়ে যায় দ্রুত। সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের নেতা, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান সহাস্য বদনে সাংবাদিকদের বলে বসলেন, মোটে দুইজন ছাত্রের তো প্রাণ গেছে। গতকাল ভারতের মহারাষ্ট্রে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তারা সেটা নিয়ে কোনো মাতামাতি করছে না। আপনারা কেন এত মাতামাতি করছেন? অর্থাৎ সড়কে এভাবে বেঘোরে মানুষকে প্রাণ দিতে হবে, শিশু-কিশোরকে প্রাণ দিতে হবে; এটাই যেন আমাদের নিয়তি। সেটাই বুঝি আমাদের মেনে নিতে হবে।

বাংলাদেশের সড়কে প্রতিদিন প্রায় ২০ জনের প্রাণহানি ঘটে আর তা ঘটে থাকে অদক্ষ চালকের কারণে। এসব গাড়ির ফিটনেস নেই, চালকদের নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনিরের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়েছিল, ঘাতক বাস ইচ্ছা করেই তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটিকে চাপা দিয়েছিল। এতে ছয়জনের মৃত্যু ঘটে।

তখনো চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল এবং সে সময় এই নৌমন্ত্রী বলেছিলেন, লাইসেন্সের এত কড়াকড়ির কী দরকার আছে, ড্রাইভারেরা যদি মানুষ ও গরু-ছাগল চেনে, তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া যায়। এ নিয়ে তখনো কম সমালোচনা হয়নি। সে সময় সরকার বিষয়টিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে গেছে। কিন্তু তারুণ্য এত সহজে পরাভব স্বীকার করে না।

ফলে নৌমন্ত্রী হাসিমুখে খুনকে জাস্টিফাই করে তারুণ্যের বুকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। তাই রাজধানীর রাজপথে সব স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেমে এসেছিল। ফেসবুকেও দাউ দাউ ক্ষোভের আগুন। সেখানেও ঘুরছে আগুন, ভাঙচুর, স্লোগান আর রক্তাক্ত শিক্ষার্থীদের ছবি।

কার্যত দুই শিক্ষার্থী হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে এবং একপর্যায়ে গোটা ছাত্রসমাজ রাস্তায় নেমে আসে। তরুণ শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বাস ও গাড়িচালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা করতে শুরু করে। প্রথম দুই দিন পুলিশ প্রচণ্ড মারমুখী হলেও তারুণ্যের প্রবল শক্তির চাপে তারা নিজেদের গুটিয়ে নিতে শুরু করে। রাজপথ দখলে চলে যায় তরুণ শিক্ষার্থীদের।

তারা কারো ওপর বল প্রয়োগ করেনি। কোনো বাসে আগুন দেয়নি, ভাঙচুর করেনি; বরং আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিতে তাদের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল ছাত্রলীগ। রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকায় এমন এক ছাত্রলীগ কর্মী বাস ভাঙচুর করছিল। এ সময় তরুণ শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। অর্থাৎ তারা শান্তিপূর্ণভাবেই প্রতিবাদ জানাচ্ছিল এবং তাদের দাবি আদায়ের পথ করছিল।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি এমন দাঁড়াল, যেহেতু বাসগুলোর ফিটনেস নেই, ড্রাইভারদের লাইসেন্স নেই, ফলে তারা ঢাকাসহ সারা দেশে যান চলাচল বন্ধ করে দিলো। প্রথম দুই দিন এই তরুণদের পেটানোর পর পুলিশ অনুধাবন করল, পিটিয়ে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে না, বরং তা আরো শতগুণে বেড়ে উঠবে।

শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী হত্যার পর প্রথম দুই দিন পুলিশ এই শিশু-কিশোরদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমরা ফেসবুকে দেখেছি- এক জোড়া রক্তাক্ত জুতো, একটি রক্তাক্ত হাত, রক্তমাখা আমার সন্তানের মুখ। সে দৃশ্য বুক কাঁপিয়ে দেয়। সন্তানের পিঠে শিক্ষকের বেতের বাড়িও আমরা হয়তো হজম করতে পারি; কিন্তু পুলিশের লাঠি? না।

কারণ, রাজপথে সে অন্যায় করেনি। প্রধানমন্ত্রী পুলিশের এই বর্বরতা চোখে দেখেননি? ফেসবুকে দেখেছেন কি না বলতে পারি না। কিন্তু ফেসবুকের মাধ্যমে এসব ছবি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ দেখেছে, শিশুরা দেশের সরকারের হাতে কতটা অনিরাপদ। এই শিশু-কিশোরেরা তো কোনো অপরাধ করেনি। তারা নিরাপদ সড়ক চেয়েছে, তার শাস্তি এটাই? কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তা মূল্যায়ন করেছেন ভিন্নভাবে। তিনি বলেছেন, ফেসবুক একটা সমস্যাই।

কিন্তু কেন সমস্যা? কারণ, এর মাধ্যমে সব সংবাদ মুহূর্তে দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে। অথচ এক সময় তিনি প্রযুক্তির বিপ্লবের কথা বলেছিলেন। তারুণ্যের ওপর নির্ভরতার কথা বলেছিলেন। এখন সেই তারুণ্যের শক্তিই যেন তার গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারুণ্যের এই উত্থানে আরো একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। সেটি হলো, আমরা যারা এই সমাজের হর্তাকর্তা, তারা নিজেরাও কত বড় আইন লঙ্ঘনকারী। আমরা দেখেছি, বিচারপতির গাড়ির ড্রাইভারের লাইসেন্স নেই, মন্ত্রীর গাড়ির ড্রাইভারের লাইসেন্স নেই, ডিআইজির গাড়ির ড্রাইভারের লাইসেন্স কিংবা ফিটনেস নেই, এমপির গাড়ির ড্রাইভারের লাইসেন্স-ফিটনেস কিছুই নেই।

তারুণ্যের শক্তি এতই প্রবল যে, তারা মন্ত্রী, এমপি এবং পুলিশকে লাইসেন্সবিহীন গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছে। বিচারপতির গাড়িতে লিখে দিয়েছে, লাইসেন্স নেই। এটি একটি সাধারণ কথায় পরিণত হয়েছে, ‘লাইসেন্স আছে?’ কিন্তু কেন এমন হয়েছে? যে পুলিশ আমার কাছে লাইসেন্স দাবি করে, তারই কোনো লাইসেন্স নেই।

লাইসেন্স না থাকায় যে বিচারক আমার বিচার করতে পারেন, তারও কোনো লাইসেন্স নেই। শিক্ষার্থীরা পুলিশকে জিজ্ঞেস করেছিল, আপনাদের কেন লাইসেন্স নেই? উত্তরে বলেছিল, আমাদের লাইসেন্স লাগে না। এটি অসত্য কথা, যানবাহন চালাতে গেলে প্রত্যেকেরই লাইসেন্স চাই।

এরপর যানবাহন উঠে গিয়েছিল সড়ক থেকে। ট্রাফিক পুলিশ সরে গিয়েছিল সড়ক থেকে। তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করছিল তরুণ সমাজই। তারা রিকশাগুলোকে এক লাইনে চালাচ্ছিল। অ্যাম্বুলেন্সকে সবার আগে রাস্তার ডান দিক দিয়ে যেতে দিচ্ছিল। গাড়িগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে যেতে দিচ্ছিল। যেন এক নতুন নগরী।

অবৈধ যানবাহন রাস্তায় চলাচল করতে পারেনি বলে যাত্রীদের দুর্ভোগ হয়েছে, কিন্তু তারা তা হাসিমুখে মেনে নিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বৃহস্পতিবার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। তাতে কোনো ফল হয়নি। শিক্ষার্থীরা স্কুলড্রেস পরে গলায় পরিচয়পত্র ঝুলিয়ে সেদিনও রক্ষায় নেমে এসেছিল। সরকার ভেবেছিল, স্কুল বন্ধ দিলেই শুক্র-শনি তো এমনি বন্ধ। এতে তারুণ্য থেমে যাবে, কিন্তু থামেনি। তখন সরকার তাদের পেটোয়া ছাত্রলীগ-যুবলীগকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীরা শুক্রবারও রাস্তায় ছিল।

শনিবার তাদের ওপর চড়াও হয় ছাত্রলীগ-যুবলীগ আর শ্রমিকেরা। কিন্তু বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বেধড়ক পিটিয়ে সরকারের মনে হয়েছিল, এই শিশু-কিশোরদের পিটিয়েও দমন করা সম্ভব। কিন্তু দেখা গেল, সেটা সম্ভব নয়। সব মন্ত্রী-এমপি একযোগে বলতে থাকলেন, শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন যৌক্তিক। এগুলো মেনে নেয়া হোক। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, এ কথা শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করেনি।

কারণ, এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, কোটাপ্রথাই বিলুপ্ত করা হলো। কিন্তু তিনিই আবার মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে বলে জোর দেন এবং যুক্তি দেখান, আদালতের নির্দেশ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার জন্য। অথচ আমরা জানতে পেরেছি, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার বিষয়টি আদালতের আদেশ নয়, পর্যবেক্ষণ মাত্র। আদালতের পর্যবেক্ষণ মানা সরকার বা কোনো পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

আর সরকার যদি তা বাধ্যতামূলক মনে করে, তাহলে আদালত তো এ পর্যবেক্ষণও দিয়েছিলেন যে, ‘পরবর্তী দু’টি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে’। সে পর্যবেক্ষণ মানলেন না কেন? এমন দ্বিমুখী নীতির কারণেই তরুণেরা মন্ত্রীদের কথা বিশ্বাস করে না।

এরপর গত শনিবার প্রথমে ঝিগাতলায় শান্তিপূর্ণ ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশের সহযোগিতায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলে পড়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগ। সে দৃশ্য কোনো সভ্য দেশে কল্পনা করা যায় না। মাঝখানে লাঠি হাতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ, পেছনে পুলিশ- তারা ওই তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলে পড়ে তাদের বেধড়ক পিটিয়েছে। পুলিশও পিটিয়েছে, ছাত্রলীগ-যুবলীগও পিটিয়েছে। সে এক রক্তারক্তি কাণ্ড। কিন্তু তাতে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়নি। রোববার আবারো তরুণ শিক্ষার্থীরা সারা দেশে বিক্ষোভ করেছে, অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে, নিরাপদ সড়ক চেয়েছে। আবারো তাদের ওপর একই কায়দায় হামলা হয়েছে।

এ শিক্ষার্থীদের কোনো রাজনীতি ছিল না। তবুও তাদের ‘বিএনপি-জামায়াত’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। মশকারারও বুঝি একটা সীমা থাকে। সরকার সে সীমাও অতিক্রম করেছে। তাতে কিছুই থেমে থাকেনি। গত সোমবার যখন এ লেখা লিখছিলাম, তখনো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে সরকারের পেটোয়া বাহিনীর সংঘর্ষ হচ্ছিল।

এতে আন্দোলন হয়তো সাময়িকভাবে থামবে, কিন্তু বিস্ফোরণের যে জ্বালামুখ থেকে ধোঁয়া উদগিরণ হচ্ছে, তার ভেতর থেকে ‘অগ্ন্যুৎপাত’ ঘটবেই। আর তা চার পাশের আবর্জনা চিরদিনের মতো ঢাকা দিয়ে দেবে।

লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
rezwansiddiqui@yahoo.com

Facebook Comments Box

Comments

comments

Posted ১০:১২ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১১ আগস্ট ২০১৮

America News Agency (ANA) |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Dhaka University Centennial & New Beginnings
(13552 বার পঠিত)
স্বামী তুমি কার?
(12861 বার পঠিত)
দল বেঁধে সৈকতে
(1424 বার পঠিত)
[abm_bangladesh_map]
Editor-in-chief :
Sayeed-Ur-Rabb
Corporate Headquarter :

44-70 21st.# 3O1, LIC. New York-11101. USA,

06463215067

americanewsagency@gmail.com

Copyright © 2019-2025Inc. America News Agency (ANA), All rights reserved.ESTD-1997