বিদিতা রহমান, নিউইয়র্ক : | শনিবার, ০৪ আগস্ট ২০১৮ | প্রিন্ট | 650 বার পঠিত
আজকের তরুণ আগামীর ভবিষ্যৎ। তরুণ কণ্ঠের মতো শক্তিশালী আজ বাংলার সড়ক। আজ তারুণ্য মানবে না কোনো রাষ্ট্রের নিয়ম নীতি কারণ তার নিয়ম বানাবে। আজকের তরুণদের প্রেরণা এবং অনুপ্রেরণা তারা নিজেরাই।
আজ বহুদিবস পর বাংলার অন্তর্নিহিত দমিত কণ্ঠ বের হয়ে আসছে মনে হচ্ছে কত কাল অপেক্ষায় ছিল বাংলার মাটি এই নিষ্পাপ তারুণ্যের উজ্বলতা দেখার জন্য। কিভাবে থামবে কিংবা কিভাবে থামাবেন এই সাহসিকতা ? এ যে থামবার নয়। আজ সেই সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারদের রক্তের বিনিময়ে বাংলার আরেকটি রূপ দেখা যাচ্ছে।
আসলেই অন্যায় সহ্য করা অন্যায় করার সমান তা আজকের যুবসমাজ প্রমান করছে। এই বাংলার মাটি কতদিবস না জানি অপেক্ষায় ছিল তাকে খণ্ডিত করার অপরাধীদের নির্মূল করতে আজ সেই মুক্তিযোদ্ধার সাহস ও উদ্দীপনা আবার জেগে উঠেছে। আমরা যারা সেই সময় পার করে এসেছি তারা শুধু আলোচনা করে যাবো কারণ আমরা সহনশীলতার মাত্রা বাড়িয়ে ফেলেছি, কিন্তু এই উত্তপ্ত রক্তের জোয়ার আমাদের বুঝিয়ে দিলো কথা আর কাজের মধ্যে পার্থক্য।
আমার গভীর মনে থেকে আমি চাইবো ” তরুণ তোমরা এগিয়ে যায়, কারণ তোমরা থামলে এই দেশ আর আগাবে না” সব সময় দেশে কিছু একটা হলে সামাজিক মাধ্যমগুলো কয়েকদিন যাবৎ খুব সাড়া পেতে থাকে পরে আবার যা তাই। কিন্তু এবার দেখে খুব ভালো লাগলো আজকের তারুণ্য অবহেলিত নয়। তাদের নিজেদের চিন্তা ও দেশভক্তের চেতনা দৃঢ়তার রূপ ধারণ করেছে যা আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি।
বাংলার প্রত্যেক ছেলে মেয়ের কাছে একটি শক্তিশালী অস্ত্র আছে তাহলো নিজেদের মধ্যেকার সাহসিকতা ও দুর্দান্তটা যা সময়ে অসময়ে লুকিয়ে থাকে কিন্তু একবার বের হতে সুযোগ পেলে ১৬ কোটি মানুষের উপর ভারী হয়ে যায়। শিক্ষা ও শিক্ষার্থীর উপর এমন অত্যাচার মেনে নেয়ার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলা ভালো তাতে যদি ভবিষ্যতের উন্নতি কামনা সফল হয়। তরুণ সমাজ ও তারুণ্য সমাজের সাহসিকতা প্রশংসিত। প্রত্যাশা রইলো তোমরা সফল হও।
লেখক : সেন্ট জন্স ইউনিভার্সিটি, নিউইয়র্ক।
Posted ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ০৪ আগস্ট ২০১৮
America News Agency (ANA) | Payel