>>

বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ যেখানে নারীর হাতে

এনা অনলাইন :   |   মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮   |   প্রিন্ট   |   847 বার পঠিত

বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ যেখানে নারীর হাতে

সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রেকর্ড সংখ্যায় নারীরা নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছে- যা বৈশ্বিক রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিচ্ছে এবং জাতীয় আইনসভায় লিঙ্গ সমতা আনার ক্ষেত্রে অগ্রগতি ঘটিয়েছে। মেক্সিকোর সাম্প্রতিক নির্বাচনে দেশটির পার্লামেন্টে দুটি কক্ষেই সমান সংখ্যায় নারী ও পুরুষ এমপিরা নির্বাচিত হয়েছে যে ঘটনা একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্পেন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরের পর এই প্রথম দেশটির মন্ত্রিসভায় পুরুষদের চেয়ে বেশি সংখ্যায় নারীদের মনোনীত করা হয়েছে গত জুন মাসে।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন গত ২১ জুন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি হলেন সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মা হওয়া দ্বিতীয় কোন নারী। এর আগে দায়িত্ব পালনকালে মা হওয়া প্রথম ব্যক্তি ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
২০১৮ সাল:বিশ্বে ১১ জন নারী বিভিন্ন দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই এখনো কোন নারী নেতৃত্ব নেই। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বে ১১ জন নারী নেতা রয়েছে যারা নিজ নিজ দেশের সরকার প্রধান। এর সাথে যদি ‘হেডস অব স্টেট’ অর্থাত্ রাষ্ট্রীয় প্রধান ব্যক্তিদের নাম যোগ করা হয় তাহলে এই সংখ্যা হবে ২১।
২০১৭ সালে পিউ রিসার্চের এক গবেষণা মোতাবেক, গত অর্ধশতকে অন্তত একবছর করে হলেও ১৪৬ দেশের মধ্যে ৫৬টি জাতি একজন নারী রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান কিংবা রাষ্ট্রীয় প্রধান পেয়েছে। এর মধ্যে ৩১টি দেশের নারী প্রধানদের শাসনকাল পাঁচ বছর মেয়াদী কিংবা তারও কম সময় এবং ১০টি দেশে কেবল এক বছরের মেয়াদ।
বর্তমানে সবচেয়ে দীর্ঘসময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নারী সরকার প্রধান জার্মানির অ্যাছেঙেলা মের্কেল। ২০০৫ সালে এই জার্মান নেতা দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সরকার প্রধান হিসেবে তার তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় রয়েছেন। এর বাইরে অন্যান্য নারী সরকার প্রধানদের মেয়াদ পাঁচ বছর বা তারও কম সময়ের। নিউজিল্যান্ডের জেসিন্ডা আরডার্ন, আইসল্যান্ডের নেতা কাটরিন জ্যাকবসডোত্তির এবং সার্বিয়ার আনা বার্নাবিক এরা সবাই ২০১৭ সালে নির্বাচিত হন।
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এর্না সোলবার্গ নির্বাচিত হন ২০১৩ সালে। নামিবিয়াতে ২০১৩ সালে দায়িত্ব নেন সারা কুগংগেলাওয়া। ব্রিটেনের টেরিজা মে ২০১৬ দেশটির দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাম লেখান। একই বছর অং সাং সু চি মিয়ানমারে দায়িত্ব নেন। ২০১৮ সালে নির্বাচিত ভিওরিকা ড্যান্সিলা রোমানিয়ার ইতিহাসে প্রথম কোনও নারী যিনি প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। মিয়া মোটলি ২০১৮ সালে বার্বাডোজের প্রথম নারী প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। কিন্তু আইপিইউ এর জেন্ডার পার্টনারশিপ কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা যেইনা হিলাল বলেন, নারী ও পুরুষের সমান প্রতিনিধিত্বের অগ্রগতির ধারা গেল দুই কিংবা তিন বছরে স্থির হয়ে আছে বলে মনে হয়। আমরা হতাশ এবং কিছুটা বিস্মিত হয়েছি কারণ কিছু বছর আগে অগ্রগতির হার ছিল প্রায় শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ। কিন্তু ২০১৬ ও ২০১৭ পরপর দুই বছর অগ্রগতির হার ছিল শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। এটা সত্যিই উদ্বেগের। আইপিইউ ধারণা করছে, যদি বর্তমান এই ধারা চলতে থাকে, তাহলে পার্লামেন্টে নারী-পুরুষ জেন্ডার সমতা অর্জনে কমপক্ষে আড়াইশ’ বছর সময় লেগে যাবে। বিবিসি

Facebook Comments Box

Comments

comments

Posted ১২:২০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

America News Agency (ANA) |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

[abm_bangladesh_map]
Editor-in-chief :
Sayeed-Ur-Rabb
Corporate Headquarter :

44-70 21st.# 3O1, LIC. New York-11101. USA,

06463215067

americanewsagency@gmail.com

Copyright © 2019-2025Inc. America News Agency (ANA), All rights reserved.ESTD-1997