রবিবার ১০ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

>>

সাজ পোশাকে যোগ হোক স্কার্ফ

এনা অনলাইন :   |   রবিবার, ১২ আগস্ট ২০১৮   |   প্রিন্ট   |   1204 বার পঠিত

সাজ পোশাকে যোগ হোক স্কার্ফ

স্কার্ফ। ছাপা, রঙিন, রঙজ্বলা বা একেবারেই রঙহীন এক টুকরো কাপড় চলতি ফ্যাশনের স্মার্ট অনুষঙ্গ হিসেবে হাত করে নিয়েছে অনেকখানি জায়গা। পোশাকটি যেমনই হোক না কেন, ফতুয়া, টপস, টি-শার্ট, কামিজ, কুর্তা ও গাউন সবকিছুর সঙ্গেই দিব্যি মানিয়ে যায় স্বল্প বিস্তরের স্কার্ফ। এ বেলায় স্কার্ফকে যদিও এক টুকরো কাপড় বলা ঠিক হবে না। বিবর্তনের ধারায় ও স্টাইল বদলের দুনিয়ায় স্কার্ফ এখন কেবল চারকোনা ছাঁটে আটকে নেই। বর্তমান সময়ে স্কার্ফগুলো তৈরি হচ্ছে অনেকটা ওড়নার আদলে। তবে এগুলো দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ওড়না থেকে কিছুটা কম। চলতি ট্রেন্ড রক্ষার্থে ও পরার সুবিধা থাকায় অনেকে ওড়নার পরিবর্তে ওয়ার্ডরোবে জায়গা করে দিচ্ছেন রকমারি স্কার্ফকে।

হালফ্যাশনে স্কার্ফ যুক্ত হওয়ার পর পরই তা চলে গেছে বাড়াবাড়ি রকম জনপ্রিয়তায়। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্কার্ফ ম্যাচিংয়ের ধার ধারে না। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিললে তো মিললই, কনট্রাস্ট কালারের সঙ্গে সয়ে যেতেও আপত্তি নেই এখনকার স্কার্ফের। একটু পেছনে গেলে জানা যায় স্কার্ফের শিকড় রোমে। তখন এটি ফ্যাশন অনুষঙ্গ ছিল না। তা ছিল ঘাম মোছার জন্য এক টুকরো কাপড়, যাকে বলা হতো সুডারিয়াম
(sudarium)। পুরুষরা কাজের সময় কাপড়টিকে গলায় অথবা কোমরের বেল্টের সঙ্গে বেঁধে রাখতেন। তবে তারও আগে মিসরের রানী নেফারতিতি মাথায় বোনা স্কার্ফ জড়াতেন বলে জানা যায়। যা-ই হোক, অষ্টদশ শতাব্দী থেকে সিল্কের স্কার্ফ ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে বাজারে আসে। স্টাইলসচেতনদের চাহিদা থাকায় এর উত্পাদন বাড়ে। কিন্তু সিল্কের স্কার্ফ উচ্চবিত্তদের আলমারিতে জায়গা পেলেও সাধারণ নারীদের জন্য বিলাসী পণ্য হয়ে পড়ে। এর পর থেকে রেয়নের মতো একটু সাশ্রয়ী কাপড়েও তৈরি হতে থাকে স্কার্ফ। ফলে সিল্কের পরিবর্তে সব শ্রেণীর নারী সচ্ছল দামে রেয়নের স্কার্ফ কিনতে শুরু করেন। বিংশ শতাব্দীতে নারী-পুরুষ উভয়ের কাঁধেই পরশ বুলিয়েছে স্কার্ফ। একটু লক্ষ করলে দেখা যায়, বিভিন্ন সময় তৈরি স্কার্ফগুলোর নকশা, বুনন, ধরন ও শৈলীতে মিশে আছে ওই সময়ের আর্থসামাজিক অবস্থার প্রতিচ্ছবি। এই যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়কালীন স্কার্ফগুলোয় ছিল সোজাসাপ্টা নকশা ও মলিন ভাব। অন্যদিকে ষাটের দশকের সময়ে স্কার্ফে বিরাজ করেছে উজ্জ্বল রঙ ও ফ্লোরাল প্যাটার্ন।

স্কার্ফ তার একঘেয়ে চারকোনা আকৃতির পাশাপাশি এখন বাজারে এসেছে আয়তাকার আকারে। এগুলোকে লং স্কার্ফও বলা হয়। সিনথেটিক ও সুতি এসব স্কার্ফের প্রান্তে অনেক সময় ট্যাসেল, উলের বল, লেইস বা ঝুমঝুমি দেয়া থাকে। সাধারণত লম্বায় এগুলো ৪০ থেকে ৮০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। যদিও এসব স্কার্ফের বেশির ভাগই লম্বায় ৫০-৬৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। একরঙা বা ছাপা এসব স্কার্ফ ফতুয়া, টি-শার্ট ও কুর্তার সঙ্গে ইদানীং খুব চলছে।

স্কয়ার বা চারকোনা শেপের স্কার্ফগুলো যে একেবারেই দিন খুইয়েছে, তাও নয়। ক্ল্যাসিক ছোঁয়া থাকলেও চলতি ট্রেন্ডে বিশ্বাসীরা এসব স্কার্ফ টি-শার্ট, স্কার্ট ও শার্টের সঙ্গে গলায় পেঁচিয়ে নিতে একটুও দ্বিধা করছে না। এ ধরনের স্কার্ফ বেশির ভাগই সিল্কের। অন্যান্য ফ্যাব্রিকেও পাওয়া যায়। স্কয়ার স্কার্ফের ধরাবাঁধা কোনো মাপ হয় না। ১৬ বাই ১৬ ইঞ্চি বা ৬০ বাই ৬০ ইঞ্চি হতে পারে। ব্রিটেনের রাজবধূ ও স্টাইল আইকন কেট মিডলটনকে অনেক সময় স্কয়ার স্কার্ফ গলায় আলগা গিঁট দিয়ে পরতে দেখা যায়। অন্যদিকে হলিউডের স্বর্ণযুগের অভিনেত্রী অদ্রে হেপবার্ন গাড়িতে চড়ার সময় চুলের পেছন থেকে নিয়ে মাথার ওপর স্কার্ফ বেঁধে নিতেন। এ ধরনের স্কার্ফগুলো পার্স বা হ্যান্ডব্যাগের সঙ্গে বেঁধে ফ্যাশনের অতিরিক্ত সংযোজন করা যেতে পারে। স্কয়ার ২০ বাই ২০ ইঞ্চি মাপের স্কার্ফগুলো নেকারচিফ নামেও পরিচিত। এগুলো গলার সঙ্গে বেঁধে নেয়া হয়। ফরাসিদের অনুপ্রাণিত এ স্টাইলে নিঃসন্দেহে যে কাউকেই তারুণ্যদীপ্ত দেখাবে। ফ্লোরাল বা অ্যানিমেল প্রিন্টের ছোট স্কয়ার স্কার্ফগুলো কোনাকুনি ভাঁজ করে আরো একটা ভাঁজ দিন। রকস্টারদের মতো তা হেডব্যান্ড হিসেবে বেঁধে নিতে পারেন। ওয়েস্টার্ন পোশাক ও সানগ্লাসের সঙ্গে এমন স্কার্ফ ভালো মানায়। যারা সাজের ব্যাপারে এক্সপেরিমেন্টাল, তারা একরঙা হাফ হাতার শার্টের সঙ্গে ফ্লোরাল প্রিন্টের সিল্কের স্কার্ফ তিনকোনা ভাঁজ করে পিঠের ওপর ফেলে রাখতে পারেন। স্কার্ফের দুই কোনা টুইস্ট করে সামনে এনে শার্টের বাটনের সঙ্গে ব্রুজ লাগিয়ে রাখতে পারেন। এমন পোশাকের সঙ্গে চুলগুলো একটু কার্ল করে নিলে ভালো দেখাবে।

যারা ঝামেলা একেবারেই পোহাতে চান না, তাদের জন্য ইনফিনিটি স্কার্ফ পারফেক্ট। এ স্কার্ফকে লুপ স্কার্ফও বলা হয়। আধুনিক স্কার্ফটি পরা খুব সহজ। স্কার্ফের শেষ মাথায় বন্ধনী থাকে। ফলে তা মালার মতো গলায় পরে টুইস্ট করে আরেক ভাঁজ দিলেই কাজ সারা। শার্ট, ফ্রক, শীতের সোয়েটার ও জ্যাকেটের সঙ্গে ইনফিনিটি স্কার্ফগুলো মানিয়ে যায় সহজেই। এসব স্কার্ফ বিভিন্ন ধরনের কাপড়ের হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ইনফিনিটি স্কার্ফ হয় সলিড প্রিন্টের। ঘন বুনটের ইনফিনিটি স্কার্ফ শীতে আপনার কাঁধকে রাখবে উষ্ণময়। অন্যদিকে উভেন লুপ স্কার্ফ সমুদ্রপাড়ে ও বসন্তের পিকনিকের জন্য সেরা।

একটু ঝলমলে আউটলুক যারা ভালোবাসেন, তাদের পছন্দ পশমিনা স্কার্ফ। পশমিনা বলতে এক ধরনের কাশ্মীরি শালকে বোঝায়। ওজনে হালকা ও পলিশিং পশমিনা স্কার্ফ অভিজাত ও মার্জিত। এ স্কার্ফের শেপ সবসময়ই লম্বা, পাশের অংশও বেশ প্রশস্ত এর দুই পাশের শেষ মাথায় টুইস্টেড টাসেল ঝোলানো। ক্ল্যাসিক শেপের এ স্কার্ফের প্রশস্ততার কারণে পশমিনাকে অল্প শীতে শাল হিসেবে ব্যবহার করেন অনেকে। উজ্জ্বল রঙ ও সম্প্রসারিত নকশার পশমিনা সাদামাটা টপসকে টপকে আভিজাত্য ফুটিয়ে তোলে গেটআপে। খাঁটি পশমিনার দাম একটু বেশি হলেও যারা কেবল পশমিনাতেই অভ্যস্ত, তারা ভিসকস অথবা রেয়নের স্কার্ফ কিনতে পারেন। এগুলোর দামও কম ও প্রায় অমনটাই নরম। এগুলোকে বলা হয় পশমিনা স্টাইল র্যাপ।

খুব স্বল্প প্রশস্তের ছোট ছোট কিছু স্কার্ফ পাওয়া যায়। নরম সুতি, সিল্ক, প্লেন ও ছাপা জর্জেটের বিভিন্ন স্কার্ফ পনিটেলের সঙ্গে বেঁধে নিতে পারেন। ফ্লোরাল প্রিন্ট হলে গাউনের সঙ্গে খোঁপায় জড়িয়ে নিলে মানায় খুব। একরঙা সুতি স্কার্ফ পনিটেলের সঙ্গে জড়িয়ে এক পাশে দুই কোনা ঝুলিয়ে নেয়াটা যেকোনো যুগেই খাপ খেয়ে যায়। যদি চেক প্রিন্টের স্কার্ফ হয়, তাহলে একরঙা শার্টের সঙ্গে গলা বোর মতো করে সেট করুন।

শুধু কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে সুন্দর স্কার্ফ বাছাই করলেই সবটা রপ্ত হয় কি! স্কার্ফ পরার বিভিন্ন কৌশল রয়েছে। একেকজন তার পোশাক ও পছন্দমতো স্কার্ফ বাঁধেন। উলের স্কার্ফের কথাই যদি বলি, তবে এটি সাধারণত গলায় ঝুলিয়ে এক প্যাঁচ দিয়ে পরা হয়। এটা সহজ উপায়। তবে একটু স্টাইলিশভাবে পরতে প্রথমে স্কার্ফটি গলায় ঝোলান। বুঝতেই পারছেন, স্কার্ফের প্রান্ত দুটি সামনে থাকবে। এবার ডান পাশের প্রান্তটি একটু লুজ করে গলায় আরেক প্যাঁচ দিন। স্কার্ফের দুই কোনা ও মাঝখানের ফোল্ডিং ইউ কার্ভের শেষাংশ সবই যেন সমান্তরাল থাকে। ইউ কার্ভটিকে টুইস্ট করে স্কার্ফের ডান পাশের প্রান্তটি টুইস্টের ওপর দিয়ে রিংয়ের ভেতরে ঢুকিয়ে দিন। বাম পাশের প্রান্তটি টুইস্টের নিচ দিয়ে প্রবেশ করিয়ে রিংয়ের ওপর দিয়ে বের করুন। এবার স্কার্ফের দুই প্রান্তের অংশ ধরে নিচের দিকে টান দিয়ে সেট করে নিন।

ইনফিনিটি স্কার্ফ পরতে কোনো ঝামেলাই নেই। শুধু গলায় পরে টুইস্ট করে নিলেই যথেষ্ট। যদি রেগুলার স্কার্ফ দিয়ে ইনফিনিটি স্কার্ফ পরতে চান, তাহলে স্কার্ফের শেষ দুই মাথা একসঙ্গে গিঁট দিয়ে নিন। বড়সড় যে লুপটি তৈরি হলো, তা গলায় পরুন। গিঁটের অংশটি কাঁধের পেছনে থাকবে। এবার টুইস্ট করে দুই বা তিন লেয়ারে গলায় পরুন এবং প্রয়োজনমতো স্কার্ফটিকে ছড়িয়ে নিন। যাতে এলোমেলো না হয়ে যায়, তাই গিঁটের সঙ্গে স্কার্ফ পিনআপ করে নিতে পারেন।

তিনকোনা স্কার্ফগুলো নানাভাবে পরা যায়। প্লেন টি-শার্টের সঙ্গে গলায় পরতে পারেন। সেক্ষেত্রে কোনাকুনি ভাঁজ দিয়ে গলায় ঝুলিয়ে স্কার্ফের ওপরই পরে নিন স্টাইলিশ ওয়েস্ট বেল্ট।

কয়েক বছর ধরে কাপড়ে অ্যানিমেল প্রিন্ট ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অ্যানিমেল প্রিন্টের স্কার্ফও এর ব্যতিক্রম নয়। সুতি, সিল্ক বা সিনথেটিক প্রায় সব ধরনের অ্যানিমেল প্রিন্টের স্কার্ফ পাওয়া যায়। সাধারণ সুতির অ্যানিমেল প্রিন্ট স্কার্ফ এমনিতেই অনেক আধুনিক। রেগুলার স্কার্ফ হলে তা মাঝামাঝি ফোল্ড করুন। কাঁধের ওপর দিয়ে নিয়ে এক হাতে ফোল্ডিং অংশ ও আরেক হাতে প্রান্তের অংশ ধরুন। ফোল্ডিং অংশের রিংয়ের ভেতর স্কার্ফের একটি প্রান্ত ঢুকিয়ে দিন। এবার রিংটিকে আরেকটি টুইস্ট দিয়ে বাকি প্রান্তটি প্রবেশ করিয়ে দিন।

শীতে জ্যাকেট ও সোয়েটারের সঙ্গে সিম্পল নট স্কার্ফ পরা যেতে পারে। স্বাভাবিকভাবে দুই প্যাঁচে স্কার্ফ পরুন। দুই প্রান্তের একটি বড় ও অন্যটি ছোট রাখুন। এবার বড় প্রান্তটি ইউ শেপ রিংঙে ঢুকিয়ে নিন। ফ্রক ও হুডির সঙ্গেও এভাবে স্কার্ফ পরা যেতে পারে। বড় ওড়নাকে স্কার্ফ হিসেবে পরার জন্য এভাবে পরা যায়।

কমন ক্ল্যাসিক লুক পেতে স্কার্ফ মাঝবরাবার ভাঁজ করুন। এবার ফোল্ডিং রিঙে প্রান্তের দুই অংশ প্রবেশ করিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী লক করে নিন। বোহেমিয়ান স্টাইলে স্কার্ফ পরতে গলায় দুই প্যাঁচে স্কার্ফ জড়িয়ে বাম পাশের প্রান্তের এক কোনা ডান দিকে স্কার্ফের গলার অংশের সঙ্গে পিনআপ করে নিন। অন্য প্রান্তটি থাকবে ছড়ানো প্রান্তের নিচে।

একটু এলিগ্যান্ট স্টাইলের জন্য বেছে নিতে পারেন ইউনিক বো স্টাইল। বো স্টাইলের জন্য পশমিনা স্কার্ফগুলো বেছে নিতে পারেন অনায়াশে। সেক্ষেত্রে কাঁধের দুই পাশে ঝোলানো স্কার্ফের এক প্রান্ত বড় ও অন্য প্রান্তটি ছোট রাখুন। এবার বড় প্রান্তটির শেষ মাথা থেকে উপরের দিকে লুপ তৈরি করুন। এবার লুপের মাঝবরাবর ধরে অন্য প্রান্ত দিয়ে পেঁচিয়ে টাইট করে নিন।

লম্বা স্কার্ফগুলো চাইলে টুইস্ট করে পরা যায়। সেক্ষেত্রে বেসিক লুপ অর্থাত্ গলায় এক প্যাঁচ দিয়ে পরার পর ঝোলানো অংশের এক প্রান্ত দিয়ে শেপকে বেজ করে স্পাইরেল করতে থাকুন। হয়ে গেলে একইভাবে অন্য প্রান্তটি অন্যদিকে রাউন্ড শেপের সঙ্গে স্পাইরেল করুন। এবার দুই প্রান্ত এক জায়গায় এসে ঠেকলে গিঁট দিন। চুল খোলা রেখে টার্বান স্টাইলে স্কার্ফ পরতে চাইলে চারকোনা স্কার্ফগুলো ব্যবহার করুন।

সিল্কের বিভিন্ন প্যাটার্নের স্কার্ফ টার্বানের মতো পরা যেতে পারে। সমান জায়গায় স্কার্ফটি পুরোপুরি ছড়িয়ে নিন। কোনাকুনি এক কোনা অর্ধেক ভাঙুন। এর পর অন্য কোনাটি ভেঙে নিন। এবার দুই পাশ থেকে আরো দুটো ভাঁজ দিন। যেকোনো এক পাশ থেকে পেঁচিয়ে নিন পুরোটা; হয়ে গেলে মাথার পেছন থেকে জড়িয়ে কপালের উপরে মাথায় গিঁট দিয়ে স্কার্ফের দুই প্রান্ত ফের পেছনে নিয়ে গিঁট দিন। ব্যস! হয়ে গেল পারফেক্ট মেসি হেয়ারস্টাইল।

Facebook Comments Box

Comments

comments

Posted ১২:০০ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১২ আগস্ট ২০১৮

America News Agency (ANA) |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

জমকালো সমাপনী
(821 বার পঠিত)
[abm_bangladesh_map]
Editor-in-chief :
Sayeed-Ur-Rabb
Corporate Headquarter :

44-70 21st.# 3O1, LIC. New York-11101. USA,

06463215067

americanewsagency@gmail.com

Copyright © 2019-2025Inc. America News Agency (ANA), All rights reserved.ESTD-1997