শিরোনাম

প্রচ্ছদ খোলা কলাম

করোনা পরিস্থিতি: সময় ফুরাবার আগেই চিন্তা করতে হবে কোন পথে হাঁটবো?

ডা. আশরাফুল হক | রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ | পড়া হয়েছে 11 বার

করোনা এখন বৈশ্বিক আতঙ্কের নাম। ইতিমধ্যে ১৯৯টি দেশ এ ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেক পূর্বেই একে বিশ্ব মহামারী হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে এটি চীনে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে একে নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়নি অনেক দেশকে। যখন চীনে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতে থাকলো তখন সমগ্র বিশ্ব নড়েচড়ে বসলো।

চীন বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম মূল কারিগর। সমগ্র বিশ্বের সঙ্গেই তার যোগাযোগ। তাই রোগ ছড়িয়ে পড়া কঠিন বিষয় ছিল না। হলও তাই।

আমাদের দেশ প্রথম থেকেই গভীর মনোযোগ দিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছিল। কি কি প্রস্তুতি নেওয়া যায় তার পরিকল্পনায় বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট অন্য অনেক দেশের ...বিস্তারিত

করোনা এখন বৈশ্বিক আতঙ্কের নাম। ইতিমধ্যে ১৯৯টি দেশ এ ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেক পূর্বেই একে বিশ্ব মহামারী হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে এটি চীনে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে একে নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়নি অনেক দেশকে। যখন চীনে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতে থাকলো তখন সমগ্র বিশ্ব নড়েচড়ে বসলো।

চীন বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম মূল কারিগর। সমগ্র বিশ্বের সঙ্গেই তার যোগাযোগ। তাই রোগ ছড়িয়ে পড়া কঠিন বিষয় ছিল না। হলও তাই।

করোনা এখন বৈশ্বিক আতঙ্কের নাম। ইতিমধ্যে ১৯৯টি দেশ এ ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেক পূর্বেই একে বিশ্ব ...বিস্তারিত

দুবাই হচ্ছে এক স্বপ্নের শহর

তুহিন আহমদ পায়েল : | শুক্রবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | পড়া হয়েছে 173 বার

আরব দেশে যাবার ইচ্ছে বহুদিনের। এ নিয়ে ভাবতেই চোখে ভেসে আসে শুধু ধু ধু মরুভূমি, জলশূন্য দিগন্ত, দলবদ্ধ উটের সারি। সূর্যের আলোয় চিকচিক করা লাল বালি। উঁচু-নিচু পাহাড়াকৃতির বালির বিস্তীর্ণ এলাকা।

কালের বিবর্তনে হাজারো পরিবর্তন এসেছে মরুর বুকে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের সুন্দর দেশগুলোর একটি। আর দুবাই হচ্ছে এক স্বপ্নের শহর! অত্যাধুনিকতা এবং নান্দনিকতার জন্য দুবাই শহরটার পরিচিতি আজ বিশ্বজোড়া। সংযুক্ত আরব আমিরাত সাতটি অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত একটি দেশ। দেশটির রাজধানী হলো আবুধাবি।

দুবাইকে বহুজাতিক সংস্কৃতির মিলনমেলা বলা হয়ে থাকে। এখানে প্রায় দুশ’রও বেশি জাতির মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে। আপনি যে দেশ থেকেই দুবাই বেড়াতে যান না কেন, স্বদেশী মানুষের দেখা পাবেনই।

দুবাইয়ে পাবেন বিচিত্র ...বিস্তারিত

আরব দেশে যাবার ইচ্ছে বহুদিনের। এ নিয়ে ভাবতেই চোখে ভেসে আসে শুধু ধু ধু মরুভূমি, জলশূন্য দিগন্ত, দলবদ্ধ উটের সারি। সূর্যের আলোয় চিকচিক করা লাল বালি। উঁচু-নিচু পাহাড়াকৃতির বালির বিস্তীর্ণ এলাকা।

কালের বিবর্তনে হাজারো পরিবর্তন এসেছে মরুর বুকে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের সুন্দর দেশগুলোর একটি। আর দুবাই হচ্ছে এক স্বপ্নের শহর! অত্যাধুনিকতা এবং নান্দনিকতার জন্য দুবাই শহরটার পরিচিতি আজ বিশ্বজোড়া। সংযুক্ত আরব আমিরাত সাতটি অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত একটি দেশ। দেশটির রাজধানী হলো আবুধাবি।

দুবাইকে বহুজাতিক সংস্কৃতির ...বিস্তারিত

আরব দেশে যাবার ইচ্ছে বহুদিনের। এ নিয়ে ভাবতেই চোখে ভেসে আসে শুধু ধু ধু মরুভূমি, জলশূন্য দিগন্ত, দলবদ্ধ ...বিস্তারিত

‘হিমালয়কন্যা’ খ্যাত অনিন্দ্যসুন্দর নগরী নেপাল

তুহিন আহমদ পায়েল: | শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৯ | পড়া হয়েছে 410 বার

আমার পায়ের নিচে যেন শর্ষে! হাতে দুই পয়সা জমলেই মন আনচান করে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। সব সময়ই চেষ্টা করি চেনা পরিবেশের বাহিরে কিছু দেখতে, নতুন মানুষ আর পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হতে। যতক্ষণ বেঁচে আছি ততক্ষণই নতুন কিছু প্রতিনিয়ত খুঁজে বেড়াই। প্রতিবার ভ্রমণ করতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি অনিন্দ্যসুন্দর কিছু নগরীকে। যা হৃদয়-মন জুড়িয়ে যাবার মতো। তাই এসব ভ্রমণে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলি ভারি হয়েছে অনেকখানি। ভ্রমণের মাধ্যমে কোন দেশের মানুষ, তাদের জীবনযাপন পদ্ধতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি ইত্যাদির সার্বিক রূপ জানা সম্ভব হয়েছে। প্রথম বারেরমতো দুচোখ মেলে দেখেছি ‘হিমালয়কন্যা’ খ্যাত অনিন্দ্যসুন্দর নগরী নেপাল দেশকে। নেপাল দেশটার কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে প্রথমেই ভেসে উঠে হিমালয় পর্বতমালার অপরূপ সৌন্দর্য, নাগরকোট, পোখরার ফেওয়া লেক, আর কারুকার্যময় ...বিস্তারিত

আমার পায়ের নিচে যেন শর্ষে! হাতে দুই পয়সা জমলেই মন আনচান করে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। সব সময়ই চেষ্টা করি চেনা পরিবেশের বাহিরে কিছু দেখতে, নতুন মানুষ আর পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হতে। যতক্ষণ বেঁচে আছি ততক্ষণই নতুন কিছু প্রতিনিয়ত খুঁজে বেড়াই। প্রতিবার ভ্রমণ করতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি অনিন্দ্যসুন্দর কিছু নগরীকে। যা হৃদয়-মন জুড়িয়ে যাবার মতো। তাই এসব ভ্রমণে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলি ভারি হয়েছে অনেকখানি। ভ্রমণের মাধ্যমে কোন দেশের মানুষ, তাদের জীবনযাপন পদ্ধতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি ইত্যাদির সার্বিক রূপ জানা সম্ভব হয়েছে। প্রথম ...বিস্তারিত

আমার পায়ের নিচে যেন শর্ষে! হাতে দুই পয়সা জমলেই মন আনচান করে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। সব সময়ই ...বিস্তারিত

দুটি নাম একটি ইতিহাস বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ

খোন্দকার মোজাম্মেল হক : | শুক্রবার, ০৯ আগস্ট ২০১৯ | পড়া হয়েছে 233 বার

বাঙালি জাতির শত-শতাব্দীর ইতিহাসে যা কিছু অর্জন, তার সবই এসেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী, বাঙালি জাতি ছিল পরাধীন। ইতিহাসের পাতায় পাল বংশ এবং সেনদের যে রাজত্ব, নবাব সিরাজের যেই অধ্যায়, তার সবই ছিল সেই পরাধীনতার শৃঙ্খলে মোড়া। পালরা বাঙালি নয়, সেনরা কর্ণাটক থেকে এসে দখল করেছিল এই দেশ। আফগান আলিবর্দির বিদ্রোহ ও রক্তদানের ইতিহাস আছে, কিন্তু কেউই পারেননি বাঙালি জাতির পরাধীনতার শিকল ভাঙতে। এই পরাধীনতার কথা উচ্চারিত হয়েছে কবির কবিতায়, শিল্পীর তুলিতে, রাজনৈতিক মাঠ ও ময়দানে। কবি সুকান্ত লিখেছেন, ‘ভারতবর্ষের উপর গলিত সূর্য ঝরে আজ। দিক-বিদিক উঠছে আওয়াজ/রক্তে আনো লাল/রাত্রির গভীর বৃন্ত থেকে ছিঁড়ে আনা ফুটন্ত সকাল।’ কাজী ...বিস্তারিত

বাঙালি জাতির শত-শতাব্দীর ইতিহাসে যা কিছু অর্জন, তার সবই এসেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী, বাঙালি জাতি ছিল পরাধীন। ইতিহাসের পাতায় পাল বংশ এবং সেনদের যে রাজত্ব, নবাব সিরাজের যেই অধ্যায়, তার সবই ছিল সেই পরাধীনতার শৃঙ্খলে মোড়া। পালরা বাঙালি নয়, সেনরা কর্ণাটক থেকে এসে দখল করেছিল এই দেশ। আফগান আলিবর্দির বিদ্রোহ ও রক্তদানের ইতিহাস আছে, কিন্তু কেউই পারেননি বাঙালি জাতির পরাধীনতার শিকল ভাঙতে। এই পরাধীনতার কথা উচ্চারিত হয়েছে ...বিস্তারিত

বাঙালি জাতির শত-শতাব্দীর ইতিহাসে যা কিছু অর্জন, তার সবই এসেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। ...বিস্তারিত

এরশাদ : জেনারেল থেকে প্রেসিডেন্ট

কর্নেল (অব:) মোহাম্মদ আবদুল হক, পিএসসি | মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ | পড়া হয়েছে 213 বার

১. সামরিক বাহিনীতে যখন যোগদান করি, অর্থ উপার্জন করে ধনী হওয়ার কোনো চিন্তাই মাথায় ছিল না। শুধু দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্মান ও মর্যাদার কথা মাথায় রেখেই এ পেশায় নিয়োজিত হয়েছিলাম। আমাদের সময় মিলিটারি একাডেমিতে জেন্টলম্যান ক্যাডেটের ভাতা দেয়া হতো ১৫০ টাকা। সেনাবাহিনীতে কমিশন পাওয়ার পর ১৯৮৩-৮৪ সালে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে বেতন ছিল ৭৫০ টাকা মাত্র। বিভিন্ন ভাতাসহ হাজারখানেক টাকা পেতাম মাসের শেষে। মেস বিল হতো ১২ থেকে ১৫ শ’ টাকা, যা পরিশোধের জন্য ব্যাংক থেকে ‘ওভার ড্র’(ওডি) অথবা বাড়ি হতে মনিঅর্ডার, আর তা না হলে বকেয়া রাখা ছাড়া উপায় ছিল না। তিন মাস অন্তর মেস মিটিংয়ে মেস বিলের বকেয়া তালিকায় প্রায়ই অর্ধেক অফিসারের নাম নথিভুক্ত হয়ে যেত, যা ...বিস্তারিত

১. সামরিক বাহিনীতে যখন যোগদান করি, অর্থ উপার্জন করে ধনী হওয়ার কোনো চিন্তাই মাথায় ছিল না। শুধু দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্মান ও মর্যাদার কথা মাথায় রেখেই এ পেশায় নিয়োজিত হয়েছিলাম। আমাদের সময় মিলিটারি একাডেমিতে জেন্টলম্যান ক্যাডেটের ভাতা দেয়া হতো ১৫০ টাকা। সেনাবাহিনীতে কমিশন পাওয়ার পর ১৯৮৩-৮৪ সালে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে বেতন ছিল ৭৫০ টাকা মাত্র। বিভিন্ন ভাতাসহ হাজারখানেক টাকা পেতাম মাসের শেষে। মেস বিল হতো ১২ থেকে ১৫ শ’ টাকা, যা পরিশোধের জন্য ব্যাংক থেকে ‘ওভার ড্র’(ওডি) অথবা ...বিস্তারিত

১. সামরিক বাহিনীতে যখন যোগদান করি, অর্থ উপার্জন করে ধনী হওয়ার কোনো চিন্তাই মাথায় ছিল না। শুধু দেশপ্রেমে ...বিস্তারিত

মৃত্যুর পথ থেকে ফেরানোর উপায় কী

এনা অনলাইন : | শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০১৯ | পড়া হয়েছে 278 বার

কত প্রকারের সংবাদ নিয়ে যে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়, বলে শেষ করার নয়। হাসি-কান্না, আনন্দ-বিষাদ, প্রাপ্তি-বঞ্চনা, মিলন-বিচ্ছেদ- কী নেই! মানবজীবন ঘিরে যা ঘটে, সব থাকে পত্রিকায়। সমাজ, রাষ্ট্র, বিশ্ব পরিমণ্ডল- সবকিছুর সংবাদ জায়গা পায় একটি সংবাদপত্রে। মানুষের আবেগ, রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, মূল্যবোধ, ক্ষমতার পালাবদল- কত কী! কোনো খবর আমাদের আনন্দ দেয়, কোনো খবর আবার আমাদের মনকে বিষাদে আচ্ছন্ন করে। কিন্তু এত সব খবরের মাঝে একটি খবর, যা ইদানীং সংবাদপত্রে খুব বেশি বেশি দেখা যায়, আমাদের মনকে খুব গভীরভাবে খারাপ করে দেয়। খবরটি মূলত তরুণ-যুবকদের নিয়ে। মন খারাপ হয়, কেননা আমরা শৈশব থেকেই জেনে এসেছি যে তরুণরাই একটি দেশের ভবিষ্যৎ। আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী। একটি দেশের মানদণ্ড নাকি ...বিস্তারিত

কত প্রকারের সংবাদ নিয়ে যে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়, বলে শেষ করার নয়। হাসি-কান্না, আনন্দ-বিষাদ, প্রাপ্তি-বঞ্চনা, মিলন-বিচ্ছেদ- কী নেই! মানবজীবন ঘিরে যা ঘটে, সব থাকে পত্রিকায়। সমাজ, রাষ্ট্র, বিশ্ব পরিমণ্ডল- সবকিছুর সংবাদ জায়গা পায় একটি সংবাদপত্রে। মানুষের আবেগ, রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, মূল্যবোধ, ক্ষমতার পালাবদল- কত কী! কোনো খবর আমাদের আনন্দ দেয়, কোনো খবর আবার আমাদের মনকে বিষাদে আচ্ছন্ন করে। কিন্তু এত সব খবরের মাঝে একটি খবর, যা ইদানীং সংবাদপত্রে খুব বেশি বেশি দেখা যায়, আমাদের মনকে খুব গভীরভাবে ...বিস্তারিত

কত প্রকারের সংবাদ নিয়ে যে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়, বলে শেষ করার নয়। হাসি-কান্না, আনন্দ-বিষাদ, প্রাপ্তি-বঞ্চনা, মিলন-বিচ্ছেদ- কী ...বিস্তারিত

আমার সন্তান কেন থাকে না দুধে-ভাতে

মামুনুর রশীদ | বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯ | পড়া হয়েছে 376 বার

এক সময় একটি আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি ছিল স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়ে। শিক্ষার আগে স্বাস্থ্য, নাকি স্বাস্থ্যের আগে শিক্ষা? কেউ কেউ মনে করেন, শিক্ষা হলে স্বাস্থ্যের ব্যাপারটি ঠিক হয়ে যাবে। মানুষ তার নিজের প্রয়োজনেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। আরেকটি আলোচনা এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। তা হলো, শিক্ষা আগে, নাকি সংস্কৃতি আগে? এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তর আলোচনার অবকাশ আছে; তবে প্রথম আলোচ্য বিষয়টি নিয়ে কথা বলাটা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রথম প্রয়োজন সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম ও চারদিকে সুন্দর পরিবেশে প্রাকৃতিক আয়োজন। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত এই প্রয়োজনটি মেটানো রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। এই দায়িত্বটি শুরু হয় শিশুর জন্ম থেকে, যখন শিক্ষার প্রশ্নটি আসেই না। ...বিস্তারিত

এক সময় একটি আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি ছিল স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়ে। শিক্ষার আগে স্বাস্থ্য, নাকি স্বাস্থ্যের আগে শিক্ষা? কেউ কেউ মনে করেন, শিক্ষা হলে স্বাস্থ্যের ব্যাপারটি ঠিক হয়ে যাবে। মানুষ তার নিজের প্রয়োজনেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। আরেকটি আলোচনা এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। তা হলো, শিক্ষা আগে, নাকি সংস্কৃতি আগে? এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তর আলোচনার অবকাশ আছে; তবে প্রথম আলোচ্য বিষয়টি নিয়ে কথা বলাটা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রথম প্রয়োজন সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম ও ...বিস্তারিত

এক সময় একটি আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি ছিল স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়ে। শিক্ষার আগে স্বাস্থ্য, নাকি ...বিস্তারিত

আমার আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু

তোফায়েল আহমেদ : | সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ | পড়া হয়েছে 334 বার

বাংলার মানুষের প্রাণপ্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের আজ ৭০তম শুভ জন্মদিন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে দলটির জন্ম হয়েছিল। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শামসুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতাদের আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। ঐতিহাসিক ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতারা দলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের জন্য সেই দিনটিকে বেছে নিয়েছিলেন। যদিও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার আগেই '৪৮-এর জানুয়ারির ৪ তারিখে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বস্তুত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিয়মতান্ত্রিক সংগ্রামের পথে ...বিস্তারিত

বাংলার মানুষের প্রাণপ্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের আজ ৭০তম শুভ জন্মদিন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে দলটির জন্ম হয়েছিল। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শামসুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতাদের আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। ঐতিহাসিক ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতারা দলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের জন্য সেই দিনটিকে বেছে নিয়েছিলেন। যদিও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার আগেই '৪৮-এর জানুয়ারির ৪ তারিখে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা ...বিস্তারিত

বাংলার মানুষের প্রাণপ্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের আজ ৭০তম শুভ জন্মদিন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও ...বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আসক্তিতে তারুণ্য

এনা অনলাইন : | মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯ | পড়া হয়েছে 342 বার

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হামলার ঘটনায় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আসক্তিতে হতাশ হয়ে পড়ছে তারুণ্য। পর্নোগ্রাফি আসক্তি, অপরিচিত মানুষের সঙ্গে শখ্য, সামাজিক বন্ধন দুর্বল হয়ে যাওয়ায় বিপথগামী হচ্ছে তরুণ সমাজ। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহিত কামাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের অতি ব্যবহার শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাত্রা ব্যাহত করছে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেমেয়েরা এসব চাপের মধ্যে থাকায় ব্রেনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। মনস্তাত্ত্বিক সক্ষমতা, মানিয়ে নেওয়ার শক্তি হারিয়ে হতাশায় ডুবে যাচ্ছে মানুষ। তরুণরা পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষ জীবনযাপনকে ...বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হামলার ঘটনায় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আসক্তিতে হতাশ হয়ে পড়ছে তারুণ্য। পর্নোগ্রাফি আসক্তি, অপরিচিত মানুষের সঙ্গে শখ্য, সামাজিক বন্ধন দুর্বল হয়ে যাওয়ায় বিপথগামী হচ্ছে তরুণ সমাজ। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহিত কামাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের অতি ব্যবহার শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাত্রা ব্যাহত করছে। অপ্রাপ্ত ...বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ...বিস্তারিত

বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং: দেশের মানুষের চোখে

এনা অনলাইন : | শনিবার, ২৫ মে ২০১৯ | পড়া হয়েছে 321 বার

আগেই বলে রেখেছি, আজকের লেখাটি পড়ে কারও কারও মন খারাপ হতে পারে। শুধু মন খারাপ নয়, কেউ কেউ বিরক্ত হতে পারেন, এমনকি রাগও হতে পারেন। তবে আমি যেহেতু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পদ্ধতির মাঝে প্রায় দুই যুগ কাটিয়ে দিয়েছি, তাই আমি অনেক কিছু বুঝতে পারি, যেটি হয়তো বাইরের একজন দেখেও বুঝতে পারবে না। তাই মাঝেমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় পদ্ধতি নিয়ে কিছু একটা লেখার ইচ্ছা করে। মনে আছে, বেশ কয়েক বছর আগে আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বলেছিলাম, আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আসলে মৃত্যুপথযাত্রী- সেটা জেনেশুনেও আমরা তার হাত ধরে বসে আছি, শুধু তার মৃত্যু-যন্ত্রণা একটুখানি কমানোর জন্য! আমি জানি, এটি অত্যন্ত নিষ্ঠুর একটা বক্তব্য- অনেক দুঃখে এ রকম একটা বক্তব্য দিয়েছিলাম। তারপর  অনেক বছর ...বিস্তারিত

আগেই বলে রেখেছি, আজকের লেখাটি পড়ে কারও কারও মন খারাপ হতে পারে। শুধু মন খারাপ নয়, কেউ কেউ বিরক্ত হতে পারেন, এমনকি রাগও হতে পারেন। তবে আমি যেহেতু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পদ্ধতির মাঝে প্রায় দুই যুগ কাটিয়ে দিয়েছি, তাই আমি অনেক কিছু বুঝতে পারি, যেটি হয়তো বাইরের একজন দেখেও বুঝতে পারবে না। তাই মাঝেমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় পদ্ধতি নিয়ে কিছু একটা লেখার ইচ্ছা করে। মনে আছে, বেশ কয়েক বছর আগে আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বলেছিলাম, আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আসলে মৃত্যুপথযাত্রী- সেটা ...বিস্তারিত

আগেই বলে রেখেছি, আজকের লেখাটি পড়ে কারও কারও মন খারাপ হতে পারে। শুধু মন খারাপ নয়, কেউ কেউ ...বিস্তারিত



আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০