শিরোনাম

প্রচ্ছদ খোলা কলাম

অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে সম্মুখ সারির যোদ্ধা ডাক্তাররা

ডা. নুজহাত চৌধুরী | বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২০ | পড়া হয়েছে 37 বার

আমার ছেলেটা হওয়ার সময় অপারেশন টেবিলে কিছু একটা সমস্যা হয়েছিল। আমার মনে আছে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হলো, এতো তীব্র যে আমি দম নিতে পারছিলাম না। মনে হল কেউ যেন হাত দিয়ে চেপে ধরে রেখেছে আমার হৃদপিন্ডকে- সে চলতে পারছে না। আমি শুনতে পারছিলাম মনিটরের ছন্দময় ‘টি .. টি..’ শব্দ পরিবর্তন হয়ে দ্রুত বাজতে শুরু করলো তার স্বরে ‘ টিটিটিটি’। শুনতে পেলাম আমার ডাক্তার চিৎকার করে বলছেন, ‘অক্সিজেন আনো, অক্সিজেন আনো।’ দেখলাম আমার স্পাইনাল অ্যানেস্থেশিয়া যিনি দিচ্ছিলেন তিনি জোরে জোরে আমার গালে বাড়ি দিচ্ছিলেন আর বলছিলেন ‘শম্পা দেখি তাকাও, তাকাও। জেগে থাকো, শম্পা. শম্পা ..।’ আমার চোখটা তার মুখের উপর স্থির হল, দেখলাম তিনি দরদর করে ঘামছেন, ...বিস্তারিত

আমার ছেলেটা হওয়ার সময় অপারেশন টেবিলে কিছু একটা সমস্যা হয়েছিল। আমার মনে আছে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হলো, এতো তীব্র যে আমি দম নিতে পারছিলাম না। মনে হল কেউ যেন হাত দিয়ে চেপে ধরে রেখেছে আমার হৃদপিন্ডকে- সে চলতে পারছে না। আমি শুনতে পারছিলাম মনিটরের ছন্দময় ‘টি .. টি..’ শব্দ পরিবর্তন হয়ে দ্রুত বাজতে শুরু করলো তার স্বরে ‘ টিটিটিটি’। শুনতে পেলাম আমার ডাক্তার চিৎকার করে বলছেন, ‘অক্সিজেন আনো, অক্সিজেন আনো।’ দেখলাম আমার স্পাইনাল অ্যানেস্থেশিয়া যিনি দিচ্ছিলেন ...বিস্তারিত

আমার ছেলেটা হওয়ার সময় অপারেশন টেবিলে কিছু একটা সমস্যা হয়েছিল। আমার মনে আছে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা শুরু ...বিস্তারিত

সর্বত্র সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে

অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) | বুধবার, ২০ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 37 বার

সিঙ্গাপুরের ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এ্যান্ড ডিজাইন-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে মে মাসের শেষেই আমরা সম্ভবত মুক্তি পেতে যাচ্ছি কোভিড-১৯ নামক দানবটির খপ্পর থেকে। আশাবাদী হচ্ছি অনেকেই। আবার অজানা শঙ্কায়ও দুরু-দুরু অনেকেরই বুক। আসলেই কি তাই? প্রতিদিনই যখন দেশে আরেকটু করে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা, তখন প্রশ্ন জাগাটা খুবই স্বাভাবিক, আমরা কি পৌঁছে গেছি পাহাড়ের চূড়ায়, নাকি সামনে আরও কি আছে আমাদের?

কোভিড-১৯ নামক যে দানবটি হানা দিয়েছে পৃথিবীর ২১০টি দেশে, একদিন না একদিন তার তো বাংলাদেশে আসার কথাই ছিল। তাকে যখন ঠেকাতে পারেনি পৃথিবীতে যারা তাবত ক্ষমতাধর আর জ্ঞানে-বিজ্ঞানে যারা উৎকর্ষের চূড়ায়, তখন আমাদের কি শক্তি তাকে এড়াই? তবে এদিক দিয়ে আমাদের অর্জন যে প্রশংসনীয়, সেটা ...বিস্তারিত

সিঙ্গাপুরের ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এ্যান্ড ডিজাইন-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে মে মাসের শেষেই আমরা সম্ভবত মুক্তি পেতে যাচ্ছি কোভিড-১৯ নামক দানবটির খপ্পর থেকে। আশাবাদী হচ্ছি অনেকেই। আবার অজানা শঙ্কায়ও দুরু-দুরু অনেকেরই বুক। আসলেই কি তাই? প্রতিদিনই যখন দেশে আরেকটু করে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা, তখন প্রশ্ন জাগাটা খুবই স্বাভাবিক, আমরা কি পৌঁছে গেছি পাহাড়ের চূড়ায়, নাকি সামনে আরও কি আছে আমাদের?

কোভিড-১৯ নামক যে দানবটি হানা দিয়েছে পৃথিবীর ২১০টি দেশে, একদিন না একদিন তার তো বাংলাদেশে ...বিস্তারিত

সিঙ্গাপুরের ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এ্যান্ড ডিজাইন-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে মে মাসের শেষেই আমরা সম্ভবত মুক্তি পেতে ...বিস্তারিত

কেনাকাটা নাকি জীবন: কোনটি বেশী প্রয়োজন?

ফারাবী বিন জহির : | বুধবার, ২০ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 28 বার

দেখতে দেখতে রমজান শেষ হয়ে গেল। সামনে আসবে খুশীর ঈদ। রমজানের ৩০টি রোজার পর এই ঈদ মানুষের মনে নিয়ে আসে নির্মল আনন্দ, ঘরে ঘরে নিয়ে আসে উৎসবের আমেজ। মানুষ তার সাধ্য অনুযায়ী ঈদ উৎসবে মেতে ওঠে। এই ঈদকে কেন্দ্র করে শুধু ঈদের দিন নয়, ঈদের বেশ কয়েকদিন আগে থেকে শুরু হয়ে যায় বিশাল আয়োজন। ধনী-গরীব যে যার সাধ্য অনুযায়ী ঈদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ঈদকে ঘিরে যে বিশাল আয়োজন চলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিশাল ভূমিকা রাখে; তবে এবারের প্রেক্ষাপট কিন্তু একেবারেই ভিন্ন, এবারে আমরা রমজানের রোজাও পালন করছি এবং সামনে ঈদও পালন করবো; তবে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে। কারণ গত মার্চ থেকে এক ভয়ানক অদৃশ্য ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলছি। ...বিস্তারিত

দেখতে দেখতে রমজান শেষ হয়ে গেল। সামনে আসবে খুশীর ঈদ। রমজানের ৩০টি রোজার পর এই ঈদ মানুষের মনে নিয়ে আসে নির্মল আনন্দ, ঘরে ঘরে নিয়ে আসে উৎসবের আমেজ। মানুষ তার সাধ্য অনুযায়ী ঈদ উৎসবে মেতে ওঠে। এই ঈদকে কেন্দ্র করে শুধু ঈদের দিন নয়, ঈদের বেশ কয়েকদিন আগে থেকে শুরু হয়ে যায় বিশাল আয়োজন। ধনী-গরীব যে যার সাধ্য অনুযায়ী ঈদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ঈদকে ঘিরে যে বিশাল আয়োজন চলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিশাল ভূমিকা রাখে; তবে এবারের প্রেক্ষাপট ...বিস্তারিত

দেখতে দেখতে রমজান শেষ হয়ে গেল। সামনে আসবে খুশীর ঈদ। রমজানের ৩০টি রোজার পর এই ঈদ মানুষের মনে ...বিস্তারিত

করোনায়ও এদিক-ওদিক সাংবাদিক নিপীড়ন

মোস্তফা কামাল : | বুধবার, ১৩ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 34 বার

করোনার এই মহামারীতে কোথায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন? অনেকে জানেনও না এমন একটি জনবান্ধব আইন দেশে রয়েছে। দুর্যোগ কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, কার কী দায়িত্ব, স্থানীয় সরকার, জনপ্রতিনিধিরা কী করবেন? সব বলা আছে আইনটিতে অথচ তাদের এ আইন প্রয়োগে গরজ নেই।

সরকারের যত আগ্রহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দিকে। এদিকে-ওদিকে সাংবাদিক নামের নিরীহ জীবদের দিকে। ধরার আগে, অভিযোগের যৌক্তিকতার বিষয়ে কোনো কথা বলা হচ্ছে না। ‘ভাবমূর্তি ক্ষু্ন্ন হওয়া’, ‘গুজব ছড়ানো’, অথবা ‘সরকারের সমালোচনা’ করার মতো কারণকে সাংবাদিকদের জেলে ভরতে যথেষ্ট মনে করার উন্মোদনা বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা মানেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এখন গ্রেফতার হওয়া। বিদ্যমান মানহানির মামলার পরিবর্তে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ঠোকার মধ্যে সাংবাদিকদের ভয় ...বিস্তারিত

করোনার এই মহামারীতে কোথায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন? অনেকে জানেনও না এমন একটি জনবান্ধব আইন দেশে রয়েছে। দুর্যোগ কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, কার কী দায়িত্ব, স্থানীয় সরকার, জনপ্রতিনিধিরা কী করবেন? সব বলা আছে আইনটিতে অথচ তাদের এ আইন প্রয়োগে গরজ নেই।

সরকারের যত আগ্রহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দিকে। এদিকে-ওদিকে সাংবাদিক নামের নিরীহ জীবদের দিকে। ধরার আগে, অভিযোগের যৌক্তিকতার বিষয়ে কোনো কথা বলা হচ্ছে না। ‘ভাবমূর্তি ক্ষু্ন্ন হওয়া’, ‘গুজব ছড়ানো’, অথবা ‘সরকারের সমালোচনা’ করার মতো কারণকে সাংবাদিকদের জেলে ভরতে ...বিস্তারিত

করোনার এই মহামারীতে কোথায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন? অনেকে জানেনও না এমন একটি জনবান্ধব আইন দেশে রয়েছে। দুর্যোগ কীভাবে ...বিস্তারিত

মৃত্যুপুরী নিউইয়র্ক!

এম আর ফারজানা : | শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০ | পড়া হয়েছে 52 বার

এ যেন রূপকথার গল্পকেও হার মানায়। মানুষ মরছে প্রতি ঘণ্টায়। হাসপাতালগুলোতে তিলধারণের ঠাই নেই। হাসপাতালের বেডে, ফ্লোরে আর জায়গা হচ্ছে না। করোনায় আক্রান্ত হয়ে একেকজন আসছে আর লাশ হয়ে যাচ্ছে। কাঁদছে ডাক্তার, নার্স, তাদের চোখের সামনে এমন মৃত্যু দেখে।

বুকে শত বেদনার পাথর চাপা দিয়ে তারা সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছে, চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে তারপরও মৃত্যু থামানো যাচ্ছে না। রোগী অনুযায়ী পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটর নেই। যেখানে দুই হাজার দরকার সেখানে আছে মাত্র দুইশত ভেন্টিলেটর। কে জানত এমনভাবে হানা দেবে করোনা?

হাসপাতালের স্টাফরাও শবদেহ টানতে টানতে ক্লান্ত। একেকটা হাসপাতালে এখন লাশের স্তূপ। করোনা ভাইরাস সব লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। গত এক শতাব্দীতেও নিউইয়র্কের মানুষ এতটা কঠিন সময় পার করেনি। কারো ...বিস্তারিত

এ যেন রূপকথার গল্পকেও হার মানায়। মানুষ মরছে প্রতি ঘণ্টায়। হাসপাতালগুলোতে তিলধারণের ঠাই নেই। হাসপাতালের বেডে, ফ্লোরে আর জায়গা হচ্ছে না। করোনায় আক্রান্ত হয়ে একেকজন আসছে আর লাশ হয়ে যাচ্ছে। কাঁদছে ডাক্তার, নার্স, তাদের চোখের সামনে এমন মৃত্যু দেখে।

বুকে শত বেদনার পাথর চাপা দিয়ে তারা সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছে, চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে তারপরও মৃত্যু থামানো যাচ্ছে না। রোগী অনুযায়ী পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটর নেই। যেখানে দুই হাজার দরকার সেখানে আছে মাত্র দুইশত ভেন্টিলেটর। কে জানত এমনভাবে হানা দেবে ...বিস্তারিত

এ যেন রূপকথার গল্পকেও হার মানায়। মানুষ মরছে প্রতি ঘণ্টায়। হাসপাতালগুলোতে তিলধারণের ঠাই নেই। হাসপাতালের বেডে, ফ্লোরে আর ...বিস্তারিত

করোনা পরিস্থিতি: সময় ফুরাবার আগেই চিন্তা করতে হবে কোন পথে হাঁটবো?

ডা. আশরাফুল হক | রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ | পড়া হয়েছে 56 বার

করোনা এখন বৈশ্বিক আতঙ্কের নাম। ইতিমধ্যে ১৯৯টি দেশ এ ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেক পূর্বেই একে বিশ্ব মহামারী হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে এটি চীনে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে একে নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়নি অনেক দেশকে। যখন চীনে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতে থাকলো তখন সমগ্র বিশ্ব নড়েচড়ে বসলো।

চীন বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম মূল কারিগর। সমগ্র বিশ্বের সঙ্গেই তার যোগাযোগ। তাই রোগ ছড়িয়ে পড়া কঠিন বিষয় ছিল না। হলও তাই।

আমাদের দেশ প্রথম থেকেই গভীর মনোযোগ দিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছিল। কি কি প্রস্তুতি নেওয়া যায় তার পরিকল্পনায় বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট অন্য অনেক দেশের ...বিস্তারিত

করোনা এখন বৈশ্বিক আতঙ্কের নাম। ইতিমধ্যে ১৯৯টি দেশ এ ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেক পূর্বেই একে বিশ্ব মহামারী হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে এটি চীনে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে একে নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়নি অনেক দেশকে। যখন চীনে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতে থাকলো তখন সমগ্র বিশ্ব নড়েচড়ে বসলো।

চীন বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম মূল কারিগর। সমগ্র বিশ্বের সঙ্গেই তার যোগাযোগ। তাই রোগ ছড়িয়ে পড়া কঠিন বিষয় ছিল না। হলও তাই।

করোনা এখন বৈশ্বিক আতঙ্কের নাম। ইতিমধ্যে ১৯৯টি দেশ এ ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেক পূর্বেই একে বিশ্ব ...বিস্তারিত

দুবাই হচ্ছে এক স্বপ্নের শহর

তুহিন আহমদ পায়েল : | শুক্রবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | পড়া হয়েছে 270 বার

আরব দেশে যাবার ইচ্ছে বহুদিনের। এ নিয়ে ভাবতেই চোখে ভেসে আসে শুধু ধু ধু মরুভূমি, জলশূন্য দিগন্ত, দলবদ্ধ উটের সারি। সূর্যের আলোয় চিকচিক করা লাল বালি। উঁচু-নিচু পাহাড়াকৃতির বালির বিস্তীর্ণ এলাকা।

কালের বিবর্তনে হাজারো পরিবর্তন এসেছে মরুর বুকে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের সুন্দর দেশগুলোর একটি। আর দুবাই হচ্ছে এক স্বপ্নের শহর! অত্যাধুনিকতা এবং নান্দনিকতার জন্য দুবাই শহরটার পরিচিতি আজ বিশ্বজোড়া। সংযুক্ত আরব আমিরাত সাতটি অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত একটি দেশ। দেশটির রাজধানী হলো আবুধাবি।

দুবাইকে বহুজাতিক সংস্কৃতির মিলনমেলা বলা হয়ে থাকে। এখানে প্রায় দুশ’রও বেশি জাতির মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে। আপনি যে দেশ থেকেই দুবাই বেড়াতে যান না কেন, স্বদেশী মানুষের দেখা পাবেনই।

দুবাইয়ে পাবেন বিচিত্র ...বিস্তারিত

আরব দেশে যাবার ইচ্ছে বহুদিনের। এ নিয়ে ভাবতেই চোখে ভেসে আসে শুধু ধু ধু মরুভূমি, জলশূন্য দিগন্ত, দলবদ্ধ উটের সারি। সূর্যের আলোয় চিকচিক করা লাল বালি। উঁচু-নিচু পাহাড়াকৃতির বালির বিস্তীর্ণ এলাকা।

কালের বিবর্তনে হাজারো পরিবর্তন এসেছে মরুর বুকে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের সুন্দর দেশগুলোর একটি। আর দুবাই হচ্ছে এক স্বপ্নের শহর! অত্যাধুনিকতা এবং নান্দনিকতার জন্য দুবাই শহরটার পরিচিতি আজ বিশ্বজোড়া। সংযুক্ত আরব আমিরাত সাতটি অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত একটি দেশ। দেশটির রাজধানী হলো আবুধাবি।

দুবাইকে বহুজাতিক সংস্কৃতির ...বিস্তারিত

আরব দেশে যাবার ইচ্ছে বহুদিনের। এ নিয়ে ভাবতেই চোখে ভেসে আসে শুধু ধু ধু মরুভূমি, জলশূন্য দিগন্ত, দলবদ্ধ ...বিস্তারিত

‘হিমালয়কন্যা’ খ্যাত অনিন্দ্যসুন্দর নগরী নেপাল

তুহিন আহমদ পায়েল: | শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৯ | পড়া হয়েছে 528 বার

আমার পায়ের নিচে যেন শর্ষে! হাতে দুই পয়সা জমলেই মন আনচান করে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। সব সময়ই চেষ্টা করি চেনা পরিবেশের বাহিরে কিছু দেখতে, নতুন মানুষ আর পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হতে। যতক্ষণ বেঁচে আছি ততক্ষণই নতুন কিছু প্রতিনিয়ত খুঁজে বেড়াই। প্রতিবার ভ্রমণ করতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি অনিন্দ্যসুন্দর কিছু নগরীকে। যা হৃদয়-মন জুড়িয়ে যাবার মতো। তাই এসব ভ্রমণে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলি ভারি হয়েছে অনেকখানি। ভ্রমণের মাধ্যমে কোন দেশের মানুষ, তাদের জীবনযাপন পদ্ধতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি ইত্যাদির সার্বিক রূপ জানা সম্ভব হয়েছে। প্রথম বারেরমতো দুচোখ মেলে দেখেছি ‘হিমালয়কন্যা’ খ্যাত অনিন্দ্যসুন্দর নগরী নেপাল দেশকে। নেপাল দেশটার কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে প্রথমেই ভেসে উঠে হিমালয় পর্বতমালার অপরূপ সৌন্দর্য, নাগরকোট, পোখরার ফেওয়া লেক, আর কারুকার্যময় ...বিস্তারিত

আমার পায়ের নিচে যেন শর্ষে! হাতে দুই পয়সা জমলেই মন আনচান করে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। সব সময়ই চেষ্টা করি চেনা পরিবেশের বাহিরে কিছু দেখতে, নতুন মানুষ আর পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হতে। যতক্ষণ বেঁচে আছি ততক্ষণই নতুন কিছু প্রতিনিয়ত খুঁজে বেড়াই। প্রতিবার ভ্রমণ করতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি অনিন্দ্যসুন্দর কিছু নগরীকে। যা হৃদয়-মন জুড়িয়ে যাবার মতো। তাই এসব ভ্রমণে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলি ভারি হয়েছে অনেকখানি। ভ্রমণের মাধ্যমে কোন দেশের মানুষ, তাদের জীবনযাপন পদ্ধতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি ইত্যাদির সার্বিক রূপ জানা সম্ভব হয়েছে। প্রথম ...বিস্তারিত

আমার পায়ের নিচে যেন শর্ষে! হাতে দুই পয়সা জমলেই মন আনচান করে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। সব সময়ই ...বিস্তারিত

দুটি নাম একটি ইতিহাস বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ

খোন্দকার মোজাম্মেল হক : | শুক্রবার, ০৯ আগস্ট ২০১৯ | পড়া হয়েছে 329 বার

বাঙালি জাতির শত-শতাব্দীর ইতিহাসে যা কিছু অর্জন, তার সবই এসেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী, বাঙালি জাতি ছিল পরাধীন। ইতিহাসের পাতায় পাল বংশ এবং সেনদের যে রাজত্ব, নবাব সিরাজের যেই অধ্যায়, তার সবই ছিল সেই পরাধীনতার শৃঙ্খলে মোড়া। পালরা বাঙালি নয়, সেনরা কর্ণাটক থেকে এসে দখল করেছিল এই দেশ। আফগান আলিবর্দির বিদ্রোহ ও রক্তদানের ইতিহাস আছে, কিন্তু কেউই পারেননি বাঙালি জাতির পরাধীনতার শিকল ভাঙতে। এই পরাধীনতার কথা উচ্চারিত হয়েছে কবির কবিতায়, শিল্পীর তুলিতে, রাজনৈতিক মাঠ ও ময়দানে। কবি সুকান্ত লিখেছেন, ‘ভারতবর্ষের উপর গলিত সূর্য ঝরে আজ। দিক-বিদিক উঠছে আওয়াজ/রক্তে আনো লাল/রাত্রির গভীর বৃন্ত থেকে ছিঁড়ে আনা ফুটন্ত সকাল।’ কাজী ...বিস্তারিত

বাঙালি জাতির শত-শতাব্দীর ইতিহাসে যা কিছু অর্জন, তার সবই এসেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী, বাঙালি জাতি ছিল পরাধীন। ইতিহাসের পাতায় পাল বংশ এবং সেনদের যে রাজত্ব, নবাব সিরাজের যেই অধ্যায়, তার সবই ছিল সেই পরাধীনতার শৃঙ্খলে মোড়া। পালরা বাঙালি নয়, সেনরা কর্ণাটক থেকে এসে দখল করেছিল এই দেশ। আফগান আলিবর্দির বিদ্রোহ ও রক্তদানের ইতিহাস আছে, কিন্তু কেউই পারেননি বাঙালি জাতির পরাধীনতার শিকল ভাঙতে। এই পরাধীনতার কথা উচ্চারিত হয়েছে ...বিস্তারিত

বাঙালি জাতির শত-শতাব্দীর ইতিহাসে যা কিছু অর্জন, তার সবই এসেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। ...বিস্তারিত

এরশাদ : জেনারেল থেকে প্রেসিডেন্ট

কর্নেল (অব:) মোহাম্মদ আবদুল হক, পিএসসি | মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ | পড়া হয়েছে 287 বার

১. সামরিক বাহিনীতে যখন যোগদান করি, অর্থ উপার্জন করে ধনী হওয়ার কোনো চিন্তাই মাথায় ছিল না। শুধু দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্মান ও মর্যাদার কথা মাথায় রেখেই এ পেশায় নিয়োজিত হয়েছিলাম। আমাদের সময় মিলিটারি একাডেমিতে জেন্টলম্যান ক্যাডেটের ভাতা দেয়া হতো ১৫০ টাকা। সেনাবাহিনীতে কমিশন পাওয়ার পর ১৯৮৩-৮৪ সালে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে বেতন ছিল ৭৫০ টাকা মাত্র। বিভিন্ন ভাতাসহ হাজারখানেক টাকা পেতাম মাসের শেষে। মেস বিল হতো ১২ থেকে ১৫ শ’ টাকা, যা পরিশোধের জন্য ব্যাংক থেকে ‘ওভার ড্র’(ওডি) অথবা বাড়ি হতে মনিঅর্ডার, আর তা না হলে বকেয়া রাখা ছাড়া উপায় ছিল না। তিন মাস অন্তর মেস মিটিংয়ে মেস বিলের বকেয়া তালিকায় প্রায়ই অর্ধেক অফিসারের নাম নথিভুক্ত হয়ে যেত, যা ...বিস্তারিত

১. সামরিক বাহিনীতে যখন যোগদান করি, অর্থ উপার্জন করে ধনী হওয়ার কোনো চিন্তাই মাথায় ছিল না। শুধু দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্মান ও মর্যাদার কথা মাথায় রেখেই এ পেশায় নিয়োজিত হয়েছিলাম। আমাদের সময় মিলিটারি একাডেমিতে জেন্টলম্যান ক্যাডেটের ভাতা দেয়া হতো ১৫০ টাকা। সেনাবাহিনীতে কমিশন পাওয়ার পর ১৯৮৩-৮৪ সালে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে বেতন ছিল ৭৫০ টাকা মাত্র। বিভিন্ন ভাতাসহ হাজারখানেক টাকা পেতাম মাসের শেষে। মেস বিল হতো ১২ থেকে ১৫ শ’ টাকা, যা পরিশোধের জন্য ব্যাংক থেকে ‘ওভার ড্র’(ওডি) অথবা ...বিস্তারিত

১. সামরিক বাহিনীতে যখন যোগদান করি, অর্থ উপার্জন করে ধনী হওয়ার কোনো চিন্তাই মাথায় ছিল না। শুধু দেশপ্রেমে ...বিস্তারিত



আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১