শিরোনাম

প্রচ্ছদ দেশ জুড়ে, শিরোনাম

পর্যটকে মুখর সিলেট

সিলেট (এনা) : | শনিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৮ | সর্বাধিক পঠিত

পর্যটকে মুখর সিলেট

ঈদের টানা ছুটিতে কমলগঞ্জের পর্যটন স্পটগুলোতে ছিল নানা শ্রেণি-পেশার মানুষজনের উপচে পড়া ভিড়। প্রকৃতির সৌন্দর্যের অপরূপ লীলা নিকেতন কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, পদ্মকন্যার নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক আর ‘ঝরনা সুন্দরী’র হামহাম জলপ্রপাত ছিল ভ্রমণ পিপাসু দর্শনার্থীদের পদভারে মুখরিত। কমলগঞ্জের নৈসর্গের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছুটে আসেন ভ্রমণ পিপাসু বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ। কমলগঞ্জে অবস্থিত রেইন ফরেস্ট লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান হল দেশের বনাঞ্চলের মধ্যে নান্দনিক ও আকর্ষণীয় বিনোদনের অন্যতম স্পট। ঈদের দিন ও ঈদের পরদিন জীববৈচিত্র্যে ভরপুর এ উদ্যানের বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রাণির পাশাপাশি বিরল প্রজাতির বৃহৎ আকারের আফ্রিকান টিকওক, সারি সারি সেগুন, আগর, জারুল, চাপালিশ, ডুমুর, লটকন, আমলকী, জলপাইসহ নানা প্রজাতির বৃক্ষ গহিন বনের খাসিয়া আদিবাসী পল্লী ঘুরে দেখতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে। ঈদের ছুটিতে যেন মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয় সবুজ বনের লাউয়াছড়া উদ্যানটি।

উদ্যানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে দেখা যায় সংশ্লিষ্টদের। বন বিভাগ জানায়, বিগত বছরের চেয়ে এবছর ঈদের দিনে পর্যটকের সমাগম অনেক বেশি হয়েছে এবং ঈদের ছুটি থাকা পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন বন কর্মকর্তারা। তাছাড়া লাউয়াছড়ায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের দিকনির্দেশনা, বিনোদন ও নিরাপত্তা দিতে পর্যটক পুলিশ সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ বনের জীববৈচিত্র্যের কথা শুনে ঈদের পরদিন সপরিবারে এবার প্রথম বনটি ঘুরতে আসেন ফেনীর জামিল রহমান। আলাপকালে তিনি বলেন, বনের বিলুপ্ত বন্যপ্রাণী দেখে তারা মুগ্ধ হয়েছেন। অপরদিকে কমলগঞ্জের মাধবপুর চা বাগানে অবস্থিত মাধবপুর লেকে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। লেকের চারপাশে বিশাল টিলায় সবুজ চা গালিচার মাঝখানে জলরাশি। টলটলে রূপালী জলের সঙ্গে দিবা-নিশির মিতালি করছে পদ্মফুল। প্রখর  রোদে জলের ওপর আলো ছায়ার লুকোচুরি খেলা। প্রকৃতি অপরূপ সাজে সেজে নিজের রূপ দিয়েই আকর্ষণীয় হয়ে উঠায় জলের পদ্ম কন্যার মায়ায় আঁকড়ে ধরে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের। তার এই মনোরম সৌন্দর্য দর্শনে ঈদের ছুটিতে প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে আসা গোপালগঞ্জের মকসদপুরের হাবিবা সুলতানা বলেন, লেকের শান্ত পরিবেশ ভালো লাগেছে তার। নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা নাঈম বলেন, ঈদের ছুটিতে সপরিবারে লেকে ঘুরতে এসে বেশ ভালো লাগছে। নয়নাভিরাম এ জলারণ্য দল বেঁধে দেখতে গত বছরের তুলনায় এ বছর দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন বেশি ঘটে বলে জানান লেকের প্রধান ফটকে দায়িত্বে থাকা বাবুল কর্মকার। অপরদিকে কমলগঞ্জের সীমান্তবর্তী কুরমা সীমান্তের গহিন অরণ্যে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম হামহাম জলপ্রপাত। প্রায় ১৬০ ফুট পাহাড়ের ওপর হতে স্পটটির স্বচ্ছ পানি আঁছড়ে পড়ছে বড় বড় পাথরের গায়ে। রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টের কুরমা বনবিটের প্রায় ৯ কিমি. অভ্যন্তরে দৃষ্টিনন্দন এই হামহাম জলপ্রপাতের অবস্থান। পায়ে হেঁটে পৌঁছাতে হয় এই ‘ঝরনা সুন্দরী’র আঙিনায়। রোমাঞ্চকর দৃষ্টিনন্দন হামহাম জলপ্রপাত একনজর দেখার জন্য দল বেঁধে পর্যটকদের ছুটতে দেখা যায় গহিন বনের ওই ঝরনা ধারায়। এছাড়া কমলগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতিস্তম্ভ, উঁচু-নিচু টিলায় সবুজ গালিচার বিভিন্ন চা বাগান, ডবলছড়া ও মাগুরছড়া খাসিয়া পল্লী ঘিরে ঈদের ছুটিতে ছিল পর্যটকদের মিলন মেলা।



132007_jap

জাফলং, বিছনাকান্দিতে উপচে পড়া ভিড়

সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট সারা দেশের ভ্রমণ পিয়সী মানুষ। শুধু দেশেরই নয় বছর জুরে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিগুলোতে পর্যটকদের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। ঈদ, পুজো, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় দিবস এবং অনুষ্ঠানের ছুটিতে ভ্রমণ পিয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে সিলেটের পিকনিক স্পটগুলো। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। ঈদুল আজহার টানা ছুটিকে কাজে লাগাতে পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব মিলে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে যেন ঢল নেমেছিল সিলেটের জাফলং জিরোপয়েন্টে, জিরোপয়েন্ট ঘেষা ভারতীয় ঝুলন্ত ব্রিজ, ফাটাছড়া মায়াবি ঝর্ণা, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, পান্তুমাই সহ সিলেটের নয়নাবিরাম নান্দনিক এসব পর্যটন স্পট সমূহে। বুধবার ঈদুল আজহার দিন থেকে শুরু করে শুক্রবার পর্যন্ত জাফলং, ফাটাছড়া মায়াবি ঝর্ণা, বিছনাকান্দি, রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট, পান্তুমাই সর্বত্রই পর্যটক ছিল লক্ষণীয়।

লোকে লোকারণ্য যেন পুরো পিকনিক স্পট এলাকাসমূহ। বাস, ট্রাক, মিনি বাসসহ ছোট যানবাহনে করে ভ্রমণ পিয়াসী মানুষজন এখানে এসে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। সবুজ সতেজতায় নিজেকে আবৃত্ত করতে তাড়া ছুটে আসেন প্রকৃতির দোরগোড়ায়। দিগন্ত জোড়া পাহাড়, ছোট বড় টিলা, পাহাড়ের গায়ে সবুজ লাখ লাখ গাছের সারী, পিয়াইনের বুকচিড়ে বয়ে চলা প্রবহমান পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ স্রোত দ্বারা, নুড়ি পাথর, চা বাগান, গহিন বন, হিজল করচের অরণ্য ঘেরা সবুজ বেষ্টনী, পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা ঝর্ণা ধারায় গা ভিজিয়ে নিজেকে উদ্বেলিত করে ছবি সেলফিতে আবদ্ধ করে আনন্দে ভাগাভাগি করছেন আগন্তুক পর্যটক দর্শনার্থীরা। সিলেট তামাবিল মহাসড়ক সহ সবক’টি সড়কের বেহাল অবস্থায় দুর্ভোগ ভোগান্তি উপেক্ষা করে আসা পর্যটক দর্শনার্থীদের সকল যন্ত্রণার যেন অবসান হয়ে গেছে প্রকৃতির কাছাকাছি এসে। এখানকার সবুজ অরণ্য ঘেরা মনোমুগ্ধকর পরিবেশ আগন্তুকদের ভ্রমণ যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিয়েছে। বিগত ৩ দিনের পর্যটক দর্শনার্থীর চাপে এখানকার সড়ক সমূহে পর্যটকবাহী বাস, মিনি বাস সহ যানবাহন সৃষ্ট যানজটের কারণে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। জাফলং থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরবর্তী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল যানজটে আটকা পড়া যানবাহনের সারী। কাদা পানি মাড়িয়ে পর্যটকরা ছুটে গেছেন প্রকৃতির একে বারে কাছাকাছি। আগন্তুক পর্যটক দর্শনার্থী ভরপুর হয়ে উঠেছে এখানকার সবক’টি হোটেল, মোটেল সহ রাত্রী যাপনের সবক’টি কটেজও। হোটেল, রেস্টুরেন্টগুলোর বিকিকিনিও বেড়েছে বহুগুণ। পর্যটক নিরাপত্তায় গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ বিভাগ, বিহিত ব্যবস্থা নেয়ায় পানিতে ডুবে সাঁতার না জানা পর্যটক মৃত্যু হ্রাস পেয়েছে অনেকটাই। জাফলং পর্যটন স্পট ঘুরে দেখা যায় জিরোপয়েন্ট, ফাটাছড়া মায়াবি ঝর্ণা, আদিবাসী খাসিয়া পুঞ্জি গুলো, বাংলাদেশের একমাত্র সমতল জাফলং চা বাগানসহ আশপাশের পর্যটন স্পটগুলো লোকে লোকারণ্য। সর্বত্রই চোখে পড়ে বেড়াতে আশা ভ্রমণ পিয়সী মানুষের উপস্থিতি। জাফলং জিরো পয়েন্টে কথা হয় ঢাকার বনশ্রী এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে। প্যাকেজ প্রোগ্রামে তারা বিশ জন বন্ধু বান্ধব জাফলং ভ্রমণে এসেছেন। সোহেল নামের তাদের দলনেতা জানান পৃথিবীর অগণিত দেশে পর্যটন শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ হয়েছে। সেখানকার পর্যটন শিল্প বিকাশ হওয়ার কারণে তাদের অর্থনীতিও চাঙ্গা হয়েছে। আমাদের দেশের সিলেটের জাফলং, ফাটাছড়া মায়াবি ঝর্ণা, বিছনাকান্দি, রাতারগুলসহ নান্দনিক সবক’টি পর্যটন স্পটে সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয় বিনিয়োগ ও রক্ষণাবেক্ষণে উদ্যোগী না হওয়াতে সরকার এক হাত থেকে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব পাচ্ছে না। আমি মনে করি এসব পর্যটন স্পটে সরকারি পৃষ্টপোষকতায় এখানকার পর্যটন শিল্প বিকশিত হলে সরকারের বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে। সুলেমান আহমদ নামের একজন পর্যটক জানান এখানকার সবুজ প্রকৃতির আর রূপলাবন্যতায় বিমুগ্ধ হয় পর্যটক দর্শনার্থীরা। কিন্তু এখানকার সড়ক মহাসড়কগুলোর বেহাল, সংস্কারহীন অবস্থায় পর্যটক উপস্থিতি হ্রাস পাবে। অনতিবিলম্বে এসব সড়ক মহাসড়ক সমূহ মেরামতের উদ্যোগ না নিলে ভ্রমণ পিয়সী মানুষ বিকল্প পর্যটন স্পট খোজে নিবে। তখন এটা সরকারের রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে। আহমেদ আল ফারুক নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী জানান পর্যটন শিল্প বিকাশে এব্যাপারে সরকারের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। ভঙ্গুর, খনাখন্দ বেহাল সড়ক, পর্যটন স্পট সমূহ গুলো রক্ষনাবেক্ষন দ্রুত উদ্যোগ নিলে পর্যটক ভোগান্তি কমার পাশাপাশি এখানকার সৌন্দর্য্যমণ্ডিত পিকনিক স্পটগুলোতে বাড়বে পর্যটক দর্শনার্থীর সংখ্যা। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থেকে আসা পর্যটক আব্দুল আলিম জানান বিছনাকান্দির অপরূপ সৌন্দর্য্যে আমরা মুগ্ধ হয়েছি। এখানে ঘুরতে এসে আমরা বন্ধুবান্ধব সবাই অত্যন্ত খুশি। কিন্তু বঙ্গবীর হইতে হাদারপার পর্যন্ত সড়কের যে বেহাল দশা তা অত্যন্ত যন্ত্রণা ও পীড়াদায়ক। আমি উক্ত পর্যটন স্থানের উন্নয়নে এবং এখানকার সড়ক যোগাযোগ আরো উন্নত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি হুজুর দাবি জানাচ্ছি। মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা কামরুল হাসান জানান এত সুন্দর এলাকা তবে রাস্তাঘাটের সংস্কার না থাকায় কষ্ট দুর্ভোগের অন্ত ছিল না। ভ্রমণ আনন্দঘন ও নিরাপদকরণের দায়িত্ব সরকারের। আমি এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই। শুক্রবার রাতারগুল সোয়াম ফরেস্টে ভ্রমণে আসা পর্যটক নাটোরের মেহজাবিন আক্তার।

সঙ্গে তার আরো বেশক’জন সফর সঙ্গী। তিনি জানান পরিবার পরিজন নিয়ে গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন পিকনিক ঘুরে দেখতে এবং সবুজ সমারুহের সঙ্গে ইটকংক্রিটের আবদ্ধ শরীরকে মিশিয়ে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য এখানে ছুটে এসেছি। এখানকার অপরূপ সৌন্দর্যে আমরা বিমুগ্ধ। প্রকৃতির এই অপার সম্ভাবনাময় অঞ্চলকে পর্যটনের আওতায়ভুক্ত করে দ্রুত একটি ব্যয়বহুল প্রকল্প নিলে সরকারের এক হাত থেকে বছরে লাখ লাখ রাজস্ব আদায় করতে পারবেন। জাফলং মামার বাজারের ফয়সাল মেডিসিন কর্নারের স্বত্বাধিকারী অবসরপ্রাপ্ত নায়েক ডা. আওলাদ হোসেন। তিনি সিলেটের পর্যটন শিল্প বিকাশ এবং সড়ক মহাসড়কসমূহ দ্রুত মেরামত সংস্কার দাবি জানিয়ে বলেন পর্যটন বিকশিত করতে হলে পর্যটন অবকাঠামোর পাশাপাশি এখানকার বেহাল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করতে হবে। অন্যথায় পর্যটকরা এখানকার পর্যটন স্থান সমূহ থেকে বিকল্প স্থানে মুখ ফিরিয়ে নিবেন। এতে করে স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্য অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ার পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব বঞ্চিত হবেন।

গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান জাফলং, ফাটাছড়া মায়াবি ঝর্ণা, রাতারগুল, বিছনাকান্দিসহ সবক’টি পর্যটন স্পটের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নে সরকার আন্তরিক। এখানকার পর্যটন স্পটে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সরকার নির্দেশিত সবকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পথে। ইতিপূর্বে পর্যটকদের যাতায়াত সহজতরকরণে সংগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের উত্তর পার্শ্ব দিয়ে পর্যটকরা পিয়াইন নদীতে সরাসরি নামার জন্য একটি সিঁড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল জলিল জানান, গোয়াইনঘাটের সবক’টি পর্যটন স্পটসমূহে বেড়াতে আসা পর্যটক, দর্শনার্থী ও ভ্রমণ পিয়সীদের সার্বিক নিরাপত্তায় থানা পুলিশ সজাগ রয়েছে। টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিশেষ টিম সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছে। সূত্র: মানবজমিন

Comments

comments



আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০