শিরোনাম

প্রচ্ছদ জাতীয়, শিরোনাম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি : ধর্মীয় সম্প্রীতি দেখতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে যাওয়া উচিত

এনা অনলাইন : | শুক্রবার, ০৯ আগস্ট ২০১৯ | সর্বাধিক পঠিত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি : ধর্মীয় সম্প্রীতি দেখতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে যাওয়া উচিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাস ও ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ভূয়সী প্রশংসা করে বাংলাদেশকে ধর্মীয় সম্প্রীতির রোল মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ভারত। খবর বাসস।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার সরকারি বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, বাংলাদেশী মানুষ কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে মিলেমিশে ধর্মীয় সম্প্রীতির সঙ্গে বাস করছে, তা প্রত্যক্ষ করতে বিশেষজ্ঞদের দেশটি সফর করা উচিত।

বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সপ্তম বৈঠক বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নিতে গত মঙ্গলবার ভারত যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৈঠকের শুরুতে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের মৃত্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেন। বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত কর্মসূচির অংশীদার হতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি টানা তিন মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যেন ভারতসহ অন্যান্য দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশের গৃহীত নীতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সহায়তা চাওয়া হলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, ভারত সরকার রোহিঙ্গা সমস্যাটি এরই মধ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করেছে। ভারত মনে করে, সমস্যাটি অবশ্যই সমাধান করতে হবে। নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে ঠাঁই নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আবারো মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।

বৈঠকে আসাদুজ্জামান খান কামাল উভয় দেশের সীমান্তে মাদকসহ সব চোরাচালান বন্ধে ভারত সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ ও অন্যান্য অপরাধ রোধে একটি নিরাপদ ও কার্যকর সীমান্ত প্রতিষ্ঠায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিমসটেক এ অঞ্চলের শান্তি ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মোদি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের মো. শহিদুজ্জামান, আইজিপি ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

Comments

comments

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১